এসটিএফের অভিযানে পাচারের আগে উদ্ধার জাতীয় পাখী ময়ূর

পাচারের আগে উদ্ধার জাতীয় পাখী ময়ূর
পাচারের আগে উদ্ধার জাতীয় পাখী ময়ূর

আজবাংলা শিলিগুড়ি   রাষ্ট্রীয় পাখি নিয়ে কোনোরকম ব্যবসা দেশের আইনে নিষিদ্ধ। এটা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের অধীনে অপরাধ।’গোপন সূত্রে এই খবর আসার পর নড়েচড়ে বসে টাস্ক ফোর্স। এবং গতকাল সংশ্লিষ্ট এলাকায় চালায় অভিযান। শিলিগুড়ি কর্পোরেশনের ৩৬ নং ওয়ার্ডের পরিতোষ মণ্ডলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুটি ময়ূর উদ্ধার করে এসটিএফ। পরিতোষ মণ্ডলের বাড়িতে না থাকায় আমরা তাঁকে সাত দিনের নোটিশ দিয়েছে এসটিএফ। সাত দিনের মধ্যে দেখা না করলে আমরা আইনানুগ ব্যাবস্থা নেবে এসটিএফে।’ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জঙ্গল থেকে ময়ূরের ডিম কুড়িয়ে এনে ডিম প্রতি ৫০০ টাকা হিসেবে বিক্রি করে একটি চক্র। তাদের থেকে এই যত্‍সামান্য দরে ডিম কিনে মুরগিকে দিয়ে তা দেওয়ানোর পর ময়ূরের ছানা ফুটিয়ে বিভিন্ন এলাকায় চড়া দামে (সাত থেকে দশ হাজার টাকা) বিক্রি হচ্ছে,  সীমিত বনকর্মী নিয়ে জঙ্গলের বিস্তীর্ণ এলাকায় সবসময় নজরদারি না চালানো সুযোগ নেয় এক ধরনের অসাধু ব্যবসায়ী। এরা অত্যন্ত কম দামে এই ডিমগুলি কেনে, এর পরে মুরগী দিয়ে তা দিইয়ে বাচ্চা ফুটিয়ে চড়া দামে বিক্রি করে।   ভারতে ময়ূরের সংখ্যা নিয়ে আজ পর্যন্ত একটিই সমীক্ষা চালানো হয়েছে, তাও সেই ১৯৯১ সালে, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচারের উদ্যোগে। জানা যায়, যে স্বাধীনতার সময় যত সংখ্যক ময়ূর দেশে ছিল, ১৯৯১ সালে সেই সংখ্যা এসে দাঁড়ায় তার অর্ধেকে। সরকারি আধিকারিক এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মীদের মতে, বিচরণক্ষেত্র কমে যাওয়ায় এবং চোরা শিকারিদের কল্যাণে সেই সংখ্যা আরও হ্রাস পেয়েছে।