পঞ্জাবকে হারিয়ে রঞ্জির কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল বাংলা

আজবাংলা     পঞ্জাবকে ৪৮ রানে হারিয়ে পাটিয়ালায় নাটকীয় জয় ছিনিয়ে নিল বাংলা। এই জয়ের ফলে বাংলা রনজির কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল।কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার জন্য বাংলাকে তিন পয়েন্ট পেতেই হত। কিন্তু প্রথম ইনিংসে পঞ্জাব এগিয়ে থাকায় সরাসরি জেতা ছাড়া উপায় ছিল না। আর সেটাই করে দেখাল অভিমন্যু ঈশ্বরণের দল। সরাসরি জেতায় এল ছয় পয়েন্ট। আট ম্যাচে এখন ৩২ পয়েন্ট হল বাংলার।

শুক্রবার নয় উইকেটে ১৯৯ রানে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছিল বাংলা। কিন্তু, ইনিংসে দাঁড়ি পড়ে ২০২ রানে। ফলে, জেতার জন্য চতুর্থ ইনিংসে পঞ্জাবকে করতে হত ১৯০ রান। কিন্তু রমনদীপের (৬৯ নট আউট) দুর্দান্ত লড়াইয়ের পরও বাংলার বোলারদের সামনে মাথা উঁচু করে ব্যাট করতে পারল না পাঞ্জাব।৪৭.৩ ওভারে ১৪১ রানে শেষ হয় পঞ্জাবের লড়াই। পাঁচ রানের মধ্যেই তিন উইকেট পড়ে গিয়েছিল পঞ্জাবের। সেই ধাক্কা আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি হোমটিম। পঞ্জাবের হয়ে একাই প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন রমনদীপ সিংহ। কিন্তু, অন্যপ্রান্ত থেকে সাহায্য পাননি তিনি।

শেষ পর্যন্ত ৬৯ রানে অপরাজিত থাকেন রমনদীপ। বাংলার বোলারদের মধ্যে সফলতম শাহবাজ আহমেদ। তিনি ৪৪ রানে নেন চার উইকেট। পঞ্জাবের প্রথম ইনিংসে সাত উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ম্যাচে তাঁর শিকার সংখ্যা মোট ১১। আকাশ দীপ (২-১৭), অর্ণব নন্দী (১-২২), রমেশ প্রসাদ (১-৪৬) বাকি উইকেট ভাগ করে নেন। পঞ্জাবের দু’জন ব্যাটসম্যান রান আউট হয়েছেন। এদিন সকালে বাংলার দ্বিতীয় ইনিংস যখন শেষ হয় তখন স্কোর বোর্ডে দেখা যাচ্ছে গতকালের থেকে মাত্র তিন রান যোগ হয়েছে। অর্থাৎ গতকাল ১৯৯/৯ রানে শেষ হলেও এদিন বাংলা দ্বিতীয় ইনিংস শেষ করে ২০২।

সামগ্রিক দৃষ্টিতে দেখলে মনে হবে, রানটা খুবই কম। পাঞ্জাব অনায়াসে তুলে দিয়ে বাংলার রনজি অভিযান শেষ করে দেবে। কিন্তু ধ্রুব পাণ্ডে স্টেডিয়ামের পিচ আষাঢ়ের মেঘের মতো। কখন খরা হবে আর কখন বৃষ্টি কেউ জানে না। পাতিয়ালায় গিয়ে এমনিতেই বোর্ডের কাছে চিঠি দেওয়ার হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন কোচ অরুণ লাল। তবে মনোজ তিওয়ারির ইনিংস দেখে শান্ত হন তিনি। বাংলার কোচ বুঝতে পেরেছিলেন, ধৈর্য ধরে খেললে ব্যাটসম্যানরা সফল হবেন। পরের দিকে দেখা গেল বাংলার মতোই পাঞ্জাবও ঘরের মাঠে ফায়দা লুটতে ব্যর্থ।

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!