বাঙালির ফের নোবেল জয়।অর্মত্য সেনের পর দ্বিতীয় ভারতীয় বংশোদ্ভূত অভিজিত্ বন্দ্যোপাধ্যায়

অভিজিৎ ব্যানার্জি, এস্তার দুফলো ও মাইকেল ক্রেমার
অভিজিৎ ব্যানার্জি, এস্তার দুফলো ও মাইকেল ক্রেমার

আজবাংলা অমর্ত্য সেনের পর আবারও অর্থনীতিতে নোবেল জয় বাঙালির। সোমবার অর্থনীতিতে নোবেলের জন্য ঘোষণা করা হল বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিত্ বন্দ্যোপাধ্যায়র নাম। ২০১৯ সালে অর্থনীতিতে নোবেল জিতেছেন  তিন মার্কিন অর্থনীতিবিদ। নোবেল বিজয়ীরা হলেন- অভিজিৎ ব্যানার্জি, এস্তার দুফলো ও মাইকেল ক্রেমার। তাঁদের মধ্যে অভিজিৎ ব্যানার্জি ভারতীয় বংশোদ্ভূত বাঙালি।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অমর্ত্য সেন ও ড. মুহম্মদ ইউনুসের পর চতুর্থ বাঙালি হিসেবে নোবেল পুরস্কার পেলেন কলকাতায় জন্ম নেওয়া অভিজিৎ ব্যানার্জি। যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত তিনি। অভিজিতের সঙ্গেই নোবেল পেয়েছেন তাঁর স্ত্রী মার্কিন অর্থনীতিবিদ এস্তার দুফলো। তিনি ফরাসি বংশোদ্ভূত। দ্বিতীয় নারী অর্থনীতিবিদ হিসেবে অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন তিনি। সর্বকনিষ্ঠ অর্থনীতিবিদ হিসেবে অর্থনীতিতে নোবেল পাওয়ার কৃতিত্বও দেখালেন দুফলো। ৪৬ বছর বয়সে নোবেল জিতলেন দুফলো। আর তাঁর স্বামী অভিজিৎ জিতলেন ৫৮ বছর বয়সে।কলকাতার সাউথ পয়েন্ট স্কুল ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী অভিজিত্‍ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকেই অর্থনীতিতে স্নাতক হন অভিজিত্। স্নাতকোত্তর করেন দিল্লির জহরলাল নেহেরু ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর শেষ করেই পাড়ি দেন বিদেশে। ১৯৮৮ সালে হাভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি।এর পরেই অধ্যাপনার জগতে প্রবেশ। প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি ও হার্ভার্ডে অধ্যাপনার পাশাপাশি ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স নিয়ে পরীক্ষামূলক গবেষণা চলতে থাকে। তার পর ম্যাসাচুসেট্‌স ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসাবে যোগ দেন।নোবেলজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের ছাত্র ছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর প্রেসিডেন্সির জন্য যে মেন্টর গ্র‌ুপ তৈরি করেছিলেন, সেই গ্র‌ুপের সদস্য ছিলেন অভিজিত্‍।

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!