'শুধু বড়লোকদের ভ্যাকসিন দিলেই করোনা কমবে না, সাম্যাবস্থা প্রয়োজন'

'শুধু বড়লোকদের ভ্যাকসিন দিলেই করোনা কমবে না, সাম্যাবস্থা প্রয়োজন'
আজ বাংলাঃ বেশ কিছু প্রতিষেধক এখন রয়েছে ট্রায়ালের পর্যায়ে। যাদের মধ্যে এগিয়ে রয়েছে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশ। যুক্তরাষ্ট্রে বায়োটেক ফার্ম মডার্না, মার্কিন আরেক ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনিকা এবং চীনের সিনোভাক বায়োটেক করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরির দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। স্বভাবতই একাংশ মনে করছেন, প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়ে গেলেও গরীব দেশ বা তথাকথিত গরীব নাগরিকদের হাতের নাগালে খুব একটা সহজে তা আসবে না। যে দেশে ভ্যাকসিন আবিষ্কার হবে সেই দেশ প্রতিষেধক নিয়ে 11 শুরু করতে পারে। দামের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত মাশুল দিতে হতে পারে কম উপার্জনকারীদের। আগামী দিনে এমন কিছু হতে পারে এই আশংকা করছেন বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম বিল গেটস। তিনি সরাসরি জানিয়েছেন, সমাজের এক শ্রেণীর হাতে ভ্যাকসির তুলে দেওয়া হলে তাতে কোনও ফল মিলবে না। করোনা ভাইরাসকেও রোধ করা যাবে না এমন কিছু হলে। গেটসের কথায়, "যদি আমরা ওষুধ আর ভ্যাকসিন যে জায়গায় সর্বাধিক প্রয়োজন, সেখানে না দিয়ে সর্বোচ্চ দরদাতাকে দিই, তবে এই মহামারি আরও দীর্ঘ হবে এবং তা গুরুতর অন্যায় হবে। বিতরণের ক্ষেত্রে আমাদের বৈশ্বিক নেতাদের প্রয়োজন, যাঁরা সমতার ভিত্তিতে বণ্টনে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। বাজারভিত্তিক বণ্টন করবেন না।"