ইসলামপুর কান্ডে গ্রেপ্তার বিজেপি জেলা সভাপতি শঙ্কর চক্রবর্তী

BJP President Shankar Chakraborty arrested in Islampur Constipation
বিজেপি জেলা সভাপতি শঙ্কর চক্রবর্তী

তন্ময় দাস,আজ বাংল, উত্তর দিনাজপুরঃ গত ২০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ইসলামপুরের দাড়ভিট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে পুলিশের সাথে খন্ড সংঘর্ষ বাদে ছাত্র দের,ঘটনা স্থলে চলে বেশ কর রাউন্ড গুলি। তবে রাজনৈতিক মহল ও স্থানীরা দাবি করেন পুলিশ সে দিন নন্দিগ্রামের ও সিঙ্গুরের মতো গুলি চালায়,।পুলিশ ছাত্র সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে বিদ্যালয়ের দুই প্রাক্তন ছাত্র রাজেশ সরকার ও তাপস বর্মনের। এই ঘটনায় তোলপাড় হয়ে ওঠে গোটা রাজ্য। যদিও উত্তর দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার শুক্রবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেছেন সেদিন পুলিশ কোনও গুলি চালায়নি বহিরাগত দের দিয়ে এই ঘটনা করা হয়েছে । সাংবাদিক দের নিয়ে এক বৈঠক ডাক দেন কিন্তু প্রায় ২ ঘন্টা দেরি করে এসে পৌঁচ্ছান,একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়,তবে পুলিশ সুপার বলেন সব তদন্তে আসবে। সব বলা হবে তদন্ত হোক। পুলিশ সুপারের এই কথা নিয়ে বিজেপি ও সিপিএম,কংগ্রেসের প্রশ্ন! তদন্তের আগে কি করে বলছে পুলিশ চালায় নি গুলি?ইতি মধ্যে পুলিশের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য জন্য রায়গঞ্জ এর বোতলবাড়ি এলাকা থাকে গ্রেফতার করা হল বিজেপি নেতা শঙ্কর চক্রবর্তী কে।
সুত্রের খবর এই দিন রবিবার ইসলামপুরের দাঁড়িভিট এলাকায় জন সভা করছিলেন তিনি গ্রাম বাসিদের নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে নানা উস্কানিমূলক মন্তব্য করছিলেন সেই অভিযোগে শঙ্কর চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।এ দিন কি কি বলেছেন বিজেপি এই নেতা? গ্রেপ্তার করা হল কেন? ঠিক কী বলেছিলেন জেলা সভাপতি ? গ্রেপ্তারের সময় শঙ্কর বাবু বলেন, “দিদি পুলিশ গুলি করে দুটি তরতাজা আলোর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। নন্দীগ্রামে চপ্পল পড়া পুলিশ গুলি করেছে আর এখানে দিদির পুলিশ। এই এলাকায় আতঙ্কে আছে মানুষ গুলি করে দুটি প্রাণ কেড়ে নেওয়ার পরেও এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি এ কেমন তদন্ত । উলটো দিকে পুলিশ কি করছে যাঁরা বিজেপির সাথে য়ুক্ত তাদের ধরে জেলে ভরে দিচ্ছে ।পুলিশ রাতের বাড়িতে গিয়ে মহিলাদের সাথে অশালীন আচরণ করছে । পুলিশের ভয়ে মহিলারা রাত কাটাছে চা বাগানে। শঙ্কর বাবু আরো বলেন আমি মহিলা দের বলেছি পুলিশ যদি রাতের বেলা ঢোকে, শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করে, আত্মরক্ষার স্বার্থে সবাই মহিলারা আইন হাতে তুলে নেবেন নিজেকে রক্ষা করতে। বাড়িতে য়া হাতের কাছে পাবেন বাঁশ, বটি দিয়ে ছুড়ে মারবেন পুলিশকে। গ্রামের সাধারণ মানুষকে বলে এসেছি, পুলিশকে সবরকম ভাবে অসহযোগিতা করবেন। কুকুর অসুস্থ হলে হাসপাতালে নিয়ে যাবেন কিন্তু পুলিশ অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকলে তাঁর দিকে ফিরেও তাকাবেন না”পুলিশ জল চাইলেও কোনও দোকানদার যেন জল না দেয়”। পুলিশ বয়কটের ডাক দিয়ে এসেছি বলে মন্তব্য করেন শঙ্কর বাবু। আমি জেলে গেলে কি হবে সাধারণ মানুষ তার বিচার করবে এই ভাবে আন্দোলন চাপানো য়াবে না জেল খাটতে হলেও উত্তর দিনাজপুরে পুলিশের গুণ্ডামি চলতে দেবোনা বলে হুঁশিয়ারি দেন বিজেপির উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি।