বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল করতে হবে,তৃণমূল না করলে এলাকা ছাড়তে হবে…..

আজবাংলা মালদা : বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল করতে হবে,তৃণমূল না করলে এলাকায় থাকতে দেওয়া হবে না।বিজেপি কর্মীকে এমন হুমকি দিয়ে আসছিল স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা।অবশেষে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ঢুকে হামলা সহ মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।ঘটনায় এক মহিলা সহ গুরুতর আহত দুই বিজেপি কর্মী।ঘটনাটি ঘটেছে মালদার মানিকচক থানার রামনগর গ্রাম এলাকায়।ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের মানিকচক থানায়।ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব।
পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, আহতরা হলেন রাজকুমার মন্ডল ও প্রতিবেশী এক মহিলা সুকরি চৌধুরী।স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে,মানিকচক অঞ্চলের ১০৮ নম্বর বুথের রাজকুমার মন্ডল বিজেপি কর্মী।শুক্রবার রাতে তার বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায় স্থানীয় কিছু তৃণমূল কর্মী বলে অভিযোগ।বাস লাঠি দিয়ে বেধরক মারধর করা হয় রাজকুমার মন্ডলকে।দলীয় কর্মীকে মারধর করতে দেখে ছুটে আসেন প্রতিবেশী মহিলা বিজেপি কর্মী সুকরি চৌধুরী।অভিযোগ তাকেও বেধরক মারধর করা হয়।স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে রাতেই ভর্তি করেন মানিকচক গ্রামীন হাসপাতালে।বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসা চলছে তাদের। ঘটনা প্রসঙ্গে মালদা জেলা বিজেপি সম্পাদক সন্তোন মন্ডল জানান,”বেশ কয়েকদিন ধরেই রামনগর এলাকার আমাদের কর্মী রাজকুমার মন্ডলকে বারবার হুমকি দিয়ে আসছিল বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল করার।কিন্তু বিজেপি ছাড়তে রাজি না হওয়ায় তার বাড়িতে ঢুকে হামলা চালানো হয়।৩০-৩৫ জন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তার ওপর হামলা করে এবং মারধর করেছে।ঘটনায় চারজন আহত হলেও দুই জনের আঘাত গুরুতর থাকায় তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।এলাকায় বিজেপির ব্যাপক সমর্থন রয়েছে।জিতার সম্ভবনা রয়েছে তাই তৃণমূল আমাদের কর্মীর ওপর হামলা চালিয়েছে।অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীরা হলেন,পঙ্কজ মন্ডল,রাজু মন্ডল,মন্টু মন্ডল,উৎপল মন্ডল সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে”। এদিকে ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে মানিকচক ব্লক তৃণমূল নেতা তথা জেলা পরিষদের প্রার্থী গৌর মন্ডল।তিনি জানান,”মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নের রাজনীতি আমরা করি।কেউ বেক্তিগত ঝামেলাকে রাজনৈতিক রং দেওয়ার চেষ্টা করলে তা আমরা মানতে রাজি নয়।জমি সংক্রান্ত বিষয়ে এই গন্ডগোল।আমাদের কর্মীরা কেউ জড়িত নয়।সমস্তই মিথ্যে অভিযোগ”।এদিকে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মানিকচক থানার পুলিশ।তবে ঘটনায় এখনো কেউ আটক বা গ্রেফতার হয়নি।