জেলা পরিষদ দখলের স্বপ্ন ভেঙতেই দক্ষিণ দিনাজপুরে বিজেপির গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে।

মঞ্জুরুল আলম, আজবাংলা দক্ষিণ দিনাজপুর, - একদিকে জেলা পরিষদ দখলের স্বপ্ন ভেঙে খান খান। অন্যদিকে দক্ষিণ দিনাজপুরে বিজেপির গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। বিজেপির কুশমন্ডি দুই মন্ডল সভাপতি নিমাই দাস ও লখিন্দর সরকার দলেরই নেত্রী তথা কুশমন্ডি পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেত্রী ও তার স্বামী জেলা কমিটির সদস্য গৌতম গোস্বামীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। এমনকি তাদেরকে শোকজ করাও হয়েছে। যদিও শোকজ পত্র পাওয়ার আগে সেই শোকজ পত্র নেট দুনিয়ায় ভাইরাল করা হয়েছে এমনটাই অভিযোগ করছেন জেলা কমিটির সদস্য ও পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেত্রী কবিতা চৌধুরী গোস্বামী। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি পঞ্চায়েত সমিতি ২৪ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। তার মধ্যে ২০ জন শাসক দল তৃণমূলের ও বাকি চার জন বিজেপির। স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূলের দখলে পঞ্চায়েত সমিতি। বিজেপির দুই মন্ডল কমিটির সভাপতি নিমাই দাস ও লখিন্দর সরকারের অভিযোগ, পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেত্রী উন্নয়নমূলক কাজে দলকে কোনো কিছু না জানিয়ে একক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। সরকারী টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কাটমানি ইশ্যুতে বিরোধী দলনেত্রী সরাসরি জড়িত। দুই মন্ডল সভাপতি আরোও অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেত্রীর স্বামী তথা বিজেপি জেলা কমিটির সদস্য গৌতম গোস্বামী দলকে সঙ্গে কোনো রকম আলোচনা ছাড়াই তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকে কি করে উপস্থিত থাকতে পারে? এই ব্যাপারে বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য গৌতম গোস্বামী ও পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেত্রী কবিতা চৌধুরী গোস্বামী জানান, মন্ডল সভাপতির কোনো এক্তিয়ার নেই আমাদেরকে শোকজ করার। তাছাড়া আমার স্বামী জেলা কমিটির সদস্য, তাকে ও আমাকে উদ্দেশ্যপ্রনীত ভাবে শোকজ চিঠি দেওয়া হয়েছে যা আমাদের হাতে পৌঁছানোর আগেই স্যোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল করা হয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যে।
অন্যদিকে, বিজেপি জেলা সভাপতি শুভেন্দু সরকারকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ব্যাপারটি মৌখিকভাবে শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখব।