অ্যালার্জি পরিবর্তন প্রতিক্রিয়া প্রতিরোধ

Both body and mind were upset in allergy
অ্যালার্জি

আজবাংলা অ্যালার্জি এড়াতে গিয়েই আবার বেশিরভাগ মানুষই মারাত্মক কিছু ভুল করে ফেলেন যা কোনও কোনও ক্ষেত্রে বিপদ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। কী সে সব ভুল, আসুন জেনে নেওয়া যাক।  অ্যালার্জির জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে অনেকেই ফার্মেসিতে গিয়ে নানা রকম ওষুধ কিনে খান। কিন্তু ঠিক কি কারণে আপনার অ্যালার্জি হচ্ছে তা না জেনেই যদি ওষুধ খাওয়া হয় সেক্ষেত্রে উল্টে ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি। শুরুতেই চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। পরীক্ষা করিয়ে আগে নিশ্চিত হয়ে নিন আপনার অ্যালার্জি ঠিক কি ধরণের। এর পর সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।  ঘরে যথেষ্ট আলো-বাতাস ঢুকলে ঘর থাকবে জীবানুমুক্ত। এমন ধারণার বসবর্তি হয়ে অ্যালার্জির রোগীরাও জানালা হাট করে খুলে দেন। কিন্তু এর ফলে বিভিন্ন ফুলের পরাগরেণু বা ধুলোবালি ঢুকে পড়ে অ্যালার্জির সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। অ্যালার্জির সমস্যা যাঁদের আছে বিশেষ কিছু ফল বা সবজি খেলে তাঁদের অ্যালার্জির সমস্যা অনেক বেড়ে যায়। মুখে এবং গলায় চুলকানি, অস্বস্তি দেখা দেয়। কখনও এই সব খাবার কাটাকাটি করলে, ধুতে গেলে বা রান্না করতে গেলেও অ্যালার্জির সমস্যা বাড়তে পারে। আপনার যদি জানা থাকে যে, কোন কোন খাবারে আপনার অ্যালার্জি বেড়ে যায়, তাহলে সেই সব খাবার থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়। আপনার জুতো, কাপড়, চুলে লেগে অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী ধুলো-বালি প্রতিনিয়তই ঘরে ঢুকে যায়। আপনার ঘরের পোষ্যটির মাধ্যমেও দিনের মধ্যে একশ বার একই ঘটনা ঘটে। এসব কারণে যতটা সম্ভব পরিষ্কার থাকতে উপযুক্ত সতর্কতা নেওয়া উচিত্। শুধু তাই নয়, বাইরে থেকে এসে মাথার চুল ধুয়ে ফেলাটাও অনেক জরুরী। নয়তো চুলে লেগে থাকা ধুলাবালি বালিশেও লেগে যাবে এবং রাতভর সেই ধুলো লাগা বালিশে ঘুমালে অ্যালার্জির সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। অনেকেই অ্যালার্জির সমস্যায় চিকিত্সকের দেওয়া নাসাল স্প্রে ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এই নাসাল স্প্রে ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেকেই নিয়ম মেনে চলেন না। নাসাল স্প্রের অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে নাকের ভেতরের অংশে এবং সাইনাসে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।  শিশুদের ও অ্যালার্জিগ্রস্ত ব্যক্তিদের লোমশ প্রাণী থেকে দূরে থাকা।  যদি ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের মতো পরিষ্কারক যন্ত্র থাকে, তবে নির্দিষ্ট সময়ে সেগুলোর ফিল্টার পরিবর্তন করা।