রাজীব কুমারকে পালাতে সাহায্য কারি মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ এক ট্রাভেল এজেন্টের খোজে সিবিআই

আজবাংলা রাজীব কুমারে কয়েকদিন ধরেই খুঁজে চলেছে সিবিআই। শনিবার তাঁর আপ্তসহায়ক ও ২ দেহরক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। পাশাপাশি রাজীব কুমারকে খুঁজতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এক্ষেত্রে গোয়েন্দাদের মনে প্রশ্ন জাগে, এতদিন ধরে যিনি নিখোঁজ তাঁকে টাকা জোগাচ্ছে কে?  পাশাপাশি এই আইনি লড়াইয়ে প্রয়োজনীয় অর্থ আসছে কোথা থেকে।কেন্দ্রীয় তদন্তসংস্থার নজরে শহরের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী। প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা রাজীব কুমারকে গা ঢাকা দিতে বা পালিয়ে বেড়াতে সাহায্য করছেন। সিবিআই তার প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওইসব ব্যবসায়ীদের খোঁজ পেয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজীব কুমারের পালিয়ে বেড়ানোর ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ এক ট্রাভেল এজেন্টের বড় ভূমিকার কথা জানাতে পেয়েছেন গোয়েন্দারা। জানা যাচ্ছে ওই ট্রাভেল এজেন্ট শুধুমাত্র রাজীব কমারকে টিকিট করে দিয়েছেন এমন নয়, বরং তাঁকে লজিস্টিক সাপোর্টও দিয়েছেন। এছাড়াও অনেক ব্যবসায়ীরা রাজীব কুমারকে সাহায্য করছেন বলে জানা যাচ্ছে তাদের সঙ্গে রাজ্যের প্রভাবশালী রাজনীতিবিদদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রবিবার শহর জুড়ে খানাতল্লাশি চালাচ্ছে গোয়েন্দাদের ৫ দল। এদিন দুপুরে ৩৪ পার্কস্ট্রিটের কোয়ার্টে ফের হানা দেয় সিবিআই দল। প্রায় পনেরো মিনিট ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় রাজীবের স্ত্রী সঞ্চিতা কুমারকে।ইতিমধ্যেই রাজীব ঘনিষ্টদের দফায় দফায় জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে। শনিবার সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে ডিসি পোর্ট মির ওয়াকার রেজাকেও । ওই চিঠিতে জানতে চাওয়া হয়েছে, বছর তিনেক আগে তিনি যখন সিআইডির স্পেশাল সুপার ছিলেন তখন তাঁর সঙ্গে শুল্ক দফতরের একটি বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজী কুমারও। সেই মিটিং আলোচনার বিস্তারিত নথি চাওয়া হয়েছে মির ওয়াকার রেজার কাছ থেকে।
সিবিআই সূত্রে খবর, কলকাতা পুলিসের কমশিনার থাকাকালীন বেশ কয়েকজন আইপিএস অফিসারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল রাজীব কুমারের। তাদের মধ্যে রেয়েছেন এই ওয়াকার রেজাও। তিনি রাজীবের খুবই কাছের মানুষ ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে।