রাজ্যে ফের ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, জেনে নিন কি বলছে আবহাওয়া দপ্তর

আজবাংলা   এখনও বহু জায়গায় বিদ্যুত্‍ সংযোগ নেই। অনেকেই রয়েছেন রাজ্যের ত্রাণ শিবিরে। করোনার মাঝেই ঘূর্ণিঝড় আমফানের দাপটে এখনও ত্রস্ত গোটা বাংলা। এই পরিস্থিতিতে সপ্তাহের শেষে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে উত্তরবঙ্গের তিন জেলাতেও। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, সপ্তাহ শেষে রাজ্যের দিকে ধেয়ে আসবে কালবৈশাখী। বৃহস্পতি ও শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখী হতে পারে। দক্ষিণী হাওয়ার সঙ্গেই সাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকেছে। বুধবার থেকেই তাই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা। এছাড়া উত্তরবঙ্গ ও সিকিমেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে। আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা গণেশকুমার দাস জানান, বিহার থেকে উত্তর-পূর্ব ভারত পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা রয়েছে। তার উপরে পশ্চিমী জেলাগুলিতে তাপমাত্রাও বেশি রয়েছে। ওই দু’য়ের প্রভাবেই এমন ঝোড়ো হাওয়া বইছে। আগামী শুক্রবার সেটি উত্তর বঙ্গোপসাগরের উপরে নেমে আসতে পারে। তার ফলে দমকা হাওয়ার জোর কমলেও কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় বঙ্গে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বস্তুত ইতিমধ্যেই প্রবল বৃষ্টির জেরে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে ডুয়ার্সে। বহু নদীর জলস্তর বেড়েছে। তবে গাঙ্গেয় বঙ্গে তেমন আশঙ্কা আপাতত নেই। বর্ষা আসতেও অন্তত সপ্তাহ দুয়েক দেরি রয়েছে। মৌসম ভবনের খবর, ৫ জুন নাগাদ কেরলে বর্ষা ঢুকতে পারে। তার পরেই বঙ্গে বর্ষা হাজির হওয়ার দিন বোঝা যাবে। বৃষ্টি আসার আগে মানুষকে উৎকণ্ঠায় রেখেছে ঝোড়ো হাওয়াও। গত ক’দিন ধরে ঝোড়ো হাওয়া যেন আর থামছেই না দক্ষিণবঙ্গে! আমপানের তাণ্ডবে এমনিতেই বিধ্বস্ত বঙ্গভূমি। তার পর থেকেও নাগাড়ে দমকা, ঝোড়ো হাওয়া বইছে কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় বঙ্গে। যা নিয়ে ফের ঝড় আসবে কি না, সে ব্যাপারে জল্পনা, গুজব ছড়াচ্ছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর অবশ্য বলছে,  ঝড়ের সম্ভাবনা নেই। প্রকৃতির নিজস্ব খেয়ালেই দমকা হাওয়া বইছে।