১০ হাজার করোনা ভাইরাস আক্রান্তের দেহ জ্বালিয়ে দিল চীন

আজবাংলা   ৩১ ডিসেম্বর প্রথম করোনা ভাইরাস আক্রান্ত পেয়েছিল চিন ৷ তখন থেকে এখনও অবধি সরকারিভাবে ১ হাজার ৪৮৩ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছে চীন৷ আক্রান্তের সংখ্যা ৪২ হাজার ৷ ইতিমধ্যেই বিশ্বের ২৫ টি দেশে করোনা আক্রান্ত পাওয়া গেছে ৷তবে সম্প্রতি ইউহান প্দেশের স্যাটেলাইট পিকাচারে গোটা বিশ্ব স্তম্ভিত ৷

যেখানে দেখা যাচ্ছে বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইডের মাত্রা এতটাই তীব্র যে সেই এলাকাগুলিকে একেবারে আলাদা করে চিহ্ণিত করা যাচ্ছে ৷ব্রিটেনের জনপ্রিয় ডেইলি মেল এই স্যাটেলাইট ইমেজে দিয়ে খবর প্রকাশ্যে এনেছে যে চিনে করোনা আক্রান্ত ১০ হাজার ব্যক্তির মৃতদেহ জ্বালিয়ে দিয়েছে চিন । নির্ধারিত অঞ্চলে বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইডের মাত্রা প্রতি ঘন মিটারে ১৩৫০ (µg/m3)৷ এমনি নিয়ম অনুযায়ি প্রতি ঘনমিটারে ৮০ র বেশি সালফার ডাই অক্সাইড থাকলেই তা যখেষ্ট ক্ষতিকর বলে মানা হয় ৷ সাধারণ নিউক্লিয়ার প্ল্যান্টস গণ পশু মৃত্যু, প্রচুর কেমিক্যাল বর্জ্য থেকে বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইডের মাত্রা বাড়তে পারে ৷

তবে এধরণের মাত্রা হওয়ায় ধারণা হয়েছে ইউহান যেটা সবচে খারপভাবে করোনা আক্রান্ত সেখান গণ অগ্নি সৎকার কার্য চলছে ৷এই গণ সৎকারের তত্ব আরও জোরালো হচ্ছে কারণ ইউহান ছাড়া আরও একটি জায়গার বাতাসের সালফার ডাই অক্সাইডের মাত্রা অত্যন্ত বেশি সেটা হল চোংকিয়াং ৷ ইউহানের পর দক্ষিণ চিনের এই প্রদেশ সবচেয়ে খারাপভাবে করোনা আক্রান্ত ৷এখানে প্রিত ঘনমিটারে বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইডের পরিমাণ ছিল ৮০০ ৷ এরপরেই চিন নিজেদের দেশে হওয়া মহামারির খবর লুকোতে লাশ জ্বালিয়ে দিয়েছে এই তত্বটিতে সিলমোহর দিয়েছে ৷ মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার সময় এই সালফার ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়। এ ছাড়া মেডিকেল বর্জ্য ভস্মীভূত করলেও সালফার ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়। চীনের উহান শহরে এ ধরনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, উহানে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষকে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় হলো করোনাভাইরাস নতুন হওয়ায় এখনো কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। এর প্রতিষেধক তৈরি করতে দেড় বছর সময় লাগবে। এ ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচার আপাত উপায় সংক্রমিত ব্যক্তিদের থেকে দূরে থাকা।

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!