মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ায় অভিমানে আত্মঘাতী হলেন দশম শ্রেণীর ছাত্রী

মোবাইল নিয়ে অশান্তি আর তার জেরেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হলেন কিশোরী। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ কলকাতার রিজেন্ট পার্ক এলাকার পূর্ব আনন্দপল্লিতে। সামনে মাধ্যমিক পরীক্ষার কারণেই সর্বক্ষণ ফোন ঘাটাঘাটি থেকে মেয়েকে বিরত থাকতে বলতেন মেয়ের মা রীতা দাস। গত সোমবারও সেই কাজ করেছিলেন তিনি। কিন্তু মোবাইল নিয়ে বকাঝকা করতে গিয়ে মেয়ে দোলন দাসের সাথে তর্কাতর্কি হয়। সেই সময়ই মোবালইটি মেয়ের হাত থেকে কেড়ে নিতে গেলে তা ভেঙে যায়। এরপরেই দোলন ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। অনেক ডাকাডাকি সত্ত্বেও দরজা খুলছেনা দেখে স্থানীয় ক্লাবের লোকজন ডেকে দরজা ভাঙা হয়। সেই সময়ই সিলিং ফ্যান এ মায়ের শাড়ি গলায় জড়ানো অবস্থায় তাকে দেখতে পাওয়া যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ এক কিশোরীকে তাঁর পরিবারের লোকজন নিয়ে যান এম আর বাঙুর হাসপাতালে। কিশোরীর গলায় ফাঁসের চিহ্ন ছিল। কিশোরীকে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। হাসপাতাল থেকে খবর পেয়ে কিশোরীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ। জানা যায়, ওই কিশোরীর বাড়ি আনন্দপল্লিতে। স্থানীয় বিনয় বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল সে। নাম দোলন দাস। বাবা তাপস কর্মসূত্রে থাকেন গুজরাতে। এখানে দাদা এবং মায়ের সঙ্গে থাকত দোলন।