৭টি ঘরোয়া পদ্ধতি প্রয়োগ করে আরশোলার উপদ্রব বন্ধ করুন।

৭টি ঘরোয়া পদ্ধতি প্রয়োগ করে আরশোলার উপদ্রব বন্ধ করুন।

আজবাংলা  আপনি যথাসম্ভব চেষ্টা করেন আপনার সাধের রান্নাঘরটিকে পরিস্কার রাখতে। কিন্তু আপাতদৃষ্টিতে পরিস্কার লাগলেও রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে আসছে একের পর এক আরশোলা। নানা স্প্রে ইত্যাদি ব্যবহার করে ফল পাননি। এছাড়া নানা চেষ্টাসাধ্য করা সত্ত্বেও আরশোলার হাত থেকে মুক্তি পাননি।কিছু সামান্য বদল ও কৌশল মেনে চললেই আরশোলা ও অন্যান্য পোকামাকড়দের হাত থেকে নিষ্কৃতি সম্ভব কিন্তু। আসুন দেখে নেওয়া যাক, কি সেই বিশেষ কৌশলগুলি।

১} রান্নাঘরে অল্প পরিমানে নিমপাতা ফেলে রাখুন। তাতেই দেখবেন আরশোলা উপদ্রব অনেকটাই কমে গেছে।

২} সেই মা, ঠাকুমাদের সময় থেকে বোরিক অ্যাসিডের সঙ্গে সামান্য চিনি মিশিয়ে রান্নাঘর পরিষ্কারের প্রথা চলে আসছে এখনো। এই পদ্ধতি প্রয়োগ করে দেখুন আরশোলার বংশ ধ্বংস হবে।

৩} বাড়িতে কমবেশি সবার কাছেই থাকে শশা। এই শশা শুধু শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতেই ও ভিটামিন জোগাতেই নয়, এর পাশাপাশি আরশোলা তাড়াতেও কাজ করে। একেবারে গোল করে কেটে কেটে রান্নাঘরের কোণায় কোণায় ফেলে রাখতে হবে শশা। তারপরই দেখবেন ওই শসার গন্ধের কারনে রান্নাঘর ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছে আরশোলা।

৪} একটি পাত্রে গরম জল নিতে হবে। তাতে অল্প পরিমান ভিনিগার মেশান। এরপর ওই মিশ্রণ দিয়ে ভাল করে রান্নাঘর মুছে নিতে হবে। দেখবেন আপনার বাড়িতে আরশোলা একেবারে উধাও।

৫} একেবারে সদ্য কিনে আনা দারচিনিও আপনার বাড়িকে আরশোলার কবলমুক্ত করতে পারে। প্রয়োজন হলে রান্নাঘরে চতুর্দিকে দারচিনি ছড়িয়ে দিন, তাতেই দেখবেন অনেকটা কাজ হয়ে গিয়েছে।

৬} আপনি যদি পিপারমেন্ট অয়েল কিংবা ল্যাভেন্ডার অয়েল ত্বকচর্চায় ব্যবহার করে থাকেন। তাহলে ওই তেলই সামান্য পরিমাণে রান্নাঘরের কোণায় কোণায় স্প্রে করে দিন। দু’দিনেই ম্যাজিক দেখতে পাবেন।

৭} এক লিটার গরম জলে ১টা লেবুর রস এবং ২ চামচ বেকিং সোডাও মিশিয়ে নিতে পারেন। এবার ওই মিশ্রণ দিয়ে পরিষ্কার করতে পারেন রান্নাঘর। তাতেই দেখবেন বাড়ির মধ্যে থাকা আরশোলারা নিমেষে হাওয়া।