করুণাময়ী মা কালীর এই মন্ত্রেই জীবনে সুখের স্বর্গ নেমে আসে

করুণাময়ী মা কালীর এই মন্ত্রেই জীবনে সুখের স্বর্গ নেমে আসে

আজবাংলা       বাঙালির কাছে কালীঘাটের মায়ের প্রভাব অত্যন্ত গভীর । অন্ধকার জীবনে জ্বলে আশার আলো শক্তিরূপিনী দেবী মা কালীর কৃপায়। সর্বদাই মা দয়া বত্‍সল, মা সদা আনন্দময়ী।মায়ের আরাধনায় খারাপ সময়েও জীবন অত্যন্ত সুন্দর হয়ে ওঠে ।

মায়ের আশীর্বাদে সব সময়েই নতুন করে জীবন শুরু করা হয় । মা কালী সব সময়েই এক নতুন করে জীবন শুরু প্রেরণা দিয়ে থাকেন ।কালীঘাটের মা জীবনের তিনটি ক্ষেত্রে অত্যন্ত সাহায্য করে থাকেন । এর অর্থ এই নয় যে মা কখনই বিপদে ছেড়ে দেন ।

মা জীবনে অত্যন্ত পরিমাণে সহনশীল হতে শেখান সেটি স্পষ্ট হয় যখন যক্ষ রাজার দরবারে স্বামীর নামে কটু কথা শুনেও মা সহ্য করেছিলেন মা সতী । তাই জীবনের প্রত্যেকেরই সহনশীলতা বাড়াতে হয় ।সততা ছাড়া জীবন কোনও ভাবেই আদর্শ জীবন হতে পারেনা ।

আদর্শের মাধ্যমে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই নতুন নতুন কীর্তি নির্মাণ করা সম্ভব হয় ।মা কালী অর্থাত্‍ শক্তিরূপিনী দেবী । দুর্বলতা জীবন থেকে ঝেড়ে ফেলে শক্তির সাহায্যে জীবনের নির্মাণ করার বিষয়টি বারেবারে শেখান মা ।

প্রদীপ বা মোমবাতি প্রদানের মন্ত্র- 'এষ দীপ ওম ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ।' ধূপকাঠি প্রদানের মন্ত্র- 'এষ ধুপঃ ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ।' কর্পূর প্রদানের মন্ত্র- 'ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ আরাত্রিকম্ সমর্পয়ামি।' দুধ-স্নানাদি প্রদানের মন্ত্র- 'ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ পয়স্নানাম্ সমর্পয়ামি।'

দই-স্নানাদি প্রদানের মন্ত্র- 'ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃদধিস্নানাম্ সমর্পয়ামি।' পঞ্চামৃত-সহ স্নানের দ্রব্যাদি প্রদানের মন্ত্র- 'ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ পঞ্চামমৃত স্নানম্ সমর্পয়ামি।' গঙ্গাজল স্নানের প্রদানের মন্ত্র- 'ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ গঙ্গাস্নানম্ সমর্পয়ামি।'

পঞ্চফল প্রদানের মন্ত্র- 'ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ পঞ্চফলম্ সমর্পয়ামি।' পুষ্প প্রদানের মন্ত্র- 'এষ গন্ধপুস্পে ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ।' প্রণাম মন্ত্র- 'ওঁ ক্রীং ক্রীং হৃং হৃং হিং হিং দক্ষিণে কালীকে ক্রীং ক্রীং ক্রীং হৃং হৃং হ্রীং হ্রীং হ্রীং স্বহা। ওঁ কালী কালী মহাকালী কালীকে পাপহারিণী 8ার্থমোক্ষদে দেবী নারায়ণী নমোস্তুতে।' এরপর জপ একশো আটবার করা যায় এই মন্ত্রে- 'ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ।