উত্তর-পূর্ব ভারতের একমাত্র কংগ্রেসশাসিত রাজ্য মিজোরামে ভোট ২৮ নভেম্বর

Congress-ruled state in north-eastern India, Mizoram, voted on November 28
ভারতের একমাত্র কংগ্রেসশাসিত রাজ্য মিজোরামে ভোট ২৮ নভেম্বর

আজবাংলা  মিজোরামে অবাধ ও পরিচ্ছন্ন ভোটের পরম্পরা বজায় রাখতে নির্বাচনী তৎপরতা চলছে প্রশাসনে। ইতিমধ্যে রাজ্যের লাইসেন্সপ্রাপ্ত ১০ হাজার ৩৩৭টি বন্দুক জমা পড়েছে প্রশাসনের কাছে। নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পরিচ্ছন্ন ভোটের জন্য প্রচার জারি রেখেছে। ২৮ নভেম্বর পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের ১২টি রাজ্যের মধ্যে একমাত্র কংগ্রেসশাসিত মিজোরামে ভোট। আগামী ১২ ডিসেম্বর মিজোরামের ভোটের ফল প্রকাশিত হবে। দুর্গ ধরে রাখতে কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতি দশম শ্রেণি পাস করলেই ল্যাপটপ। প্রচুর চাকরি। অন্যদিকে, বিজেপি ১ টাকা কেজি চাল ও সুশাসনকে হাতিয়ার করে ভোটারদের মন জিততে চাইছে। রাজ্যে কংগ্রেসের প্রধান প্রতিপক্ষ আঞ্চলিক দল এমএনএফের প্রতিশ্রুতি নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি)। মিজোরাম ভোটে প্রচার এখন তুঙ্গে। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী ও বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ নির্বাচনী প্রচারে নানান প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলছেন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে মোট ভোটার ৭ লাখ ৬৮ হাজার ১৮১ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৬৮৫ জন মহিলা । শুধু ভোটারের সংখ্যাতেই নয়, মিজোরামের মহিলারা রাজ্যের আর্থসামাজিক অগ্রগতিতেও বড় ভূমিকা পালন করেন। রোজগারের ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় মহিলাদেরই বেশি উদ্যোগ নিতে দেখা যায়।তবে ভোটে প্রার্থী করার ক্ষেত্রে মহিলাদের ওপর রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থার ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। গত নির্বাচনে ৬ জন মহিলা প্রার্থী হয়েছিলেন। তাঁদের একজনও নির্বাচনে জিতেননি। এবার আগের বারের চেয়ে মহিলা প্রার্থী বেড়ে ১৫ জন হয়েছে। কংগ্রেসের ৪০ জন প্রার্থীর মধ্যে মাত্র একজন মহিলা । প্রধান বিরোধী দল এমএনএফ কোনো মহিলাকেই নির্বাচনী যুদ্ধে রাখেনি। বিজেপি আর আঞ্চলিক দল জোরাম তের ভোটযুদ্ধে ছয়জন করে মহিলা প্রার্থী রেখেছে। বাকি দুই মহিলা প্রার্থী জেডপিএমের।