নদিয়ার হাঁসখালির আট বাঙালি শ্রমিক তানজানিয়ার জেলে বন্দি।

connection with the rape, the young girl was raped
তানজানিয়ায় কাজ করতে গিয়ে যে আট জন শ্রমিক

আজবাংলা হাঁসখালি থানার পশ্চিম হরিণডাঙা গ্রামের জনা কয়েক বাসিন্দা সম্প্রতি বিদেশে কাজের জন্য এজেন্ট শ্রীমন্ত বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। শ্রীমন্ত তাঁদের তানজানিয়ায় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তাঁদের পরিবারের অভিযোগ, এর জন্য প্রত্যেকের থেকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছিল। গত ১৯ অক্টোবর হাঁসখালি থানার আট জন স্থানীয় এজেন্টের কথা মতো তানজানিয়ার যাওয়ার জন্য বাড়ি ছাড়েন।  দিন কয়েক আগে তানজানিয়া থেকে এক জন হাঁসখালিতে এক পরিচিতের কাছে ‘ভয়েস মেসেজ’ পাঠিয়ে জানান, তাঁরা বিপদের মধ্যে আছেন। নথিপত্রে গোলমাল থাকায় তাঁরা কাজ পাননি, বরং গ্রেফতার করে জেলে চালান করা হয়েছে।  বিদ্যুৎ বিশ্বাসের স্ত্রী নীপা বিশ্বাস জানান, তাঁর স্বামী এর আগে আফ্রিকার কঙ্গোয় কাজ করতে গিয়েছিলেন। প্রায় দু’বছর সেখানে কাজ করে ছ’মাস আগে বাড়ি ফেরেন। আবার কাজের সন্ধান পাওয়ায় তানজানিয়া রওনা দিয়েছিলেন। নীপা বলেন, ‘‘আমার সঙ্গে দু’দিন আগে ওঁর কথা হয়েছে। তখনই জানান, ওখানে ঠিক মতো খাবার পাচ্ছে না, কষ্টে আছে। বারবার উদ্ধার করার আবেদন করছিল। আমরা খুবই চিন্তায় আছি। নদিয়ার হাঁসখালির আট বাসিন্দা আপাতত আফ্রিকার ওই দেশের কারাগারে বন্দি। ভিসার নথিপত্রে গন্ডগোল থাকাতেই তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। স্থানীয় যে এজেন্ট তাঁদের নিয়ে গিয়েছিলেন সেই শ্রীমন্ত বিশ্বাসের বিরুদ্ধে হাঁসখালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আটক শ্রমিকদের বাড়ির লোকজন।রাতে শ্রীমন্তকে কলকাতা থেকে গ্রেফতার করেছে হাঁসখালি থানার পুলিশ। আজ, রবিবার তাঁকে কৃষ্ণনগর আদালতে তোলার কথা। পুলিশ সূত্রের খবর, এই চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে দিল্লি থেকে নাদিম সালাফি নামে আরও এক জনকে ধরা হয়েছে। তবে তাঁকে হাঁসখালি থানায় আনা হবে কি না, শনিবার রাত পর্যন্ত তা স্পষ্ট হয়নি।