করোনা সন্দেহে মহিলাযাত্রীকে নিয়ে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে বাস চালক

Belleghata ID Hospital

আজবাংলা  হাসপাতাল চত্বরে বাসের মধ্যেই বসে সন্দেহভাজন মহিলাযাত্রী ।  কিন্তু বাস থেকে নেমে হাসপাতালে পরীক্ষা করাতেই নারাজ মহিলা৷ চিকিৎসক থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যকর্মীরা এসে হাতজোড় করে অনুরোধ করলেও বাস থেকে নামতে রাজি হননি তিনি৷ হাসপাতাল চত্বরে বাসের মধ্যেই ঠায় বসে থাকেন তিনি৷

তাঁর দাবি ছিল, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন৷ যদিও নিজের দাবির স্বপক্ষে কোনও চিকিৎসকের সার্টিফিকেট দেখাতে পারেননি তিনি৷এর পর ঠায় বাসেই বসে থাকেন ওই মহিলাযাত্রী৷ সেই অবস্থাতেই হাসপাতালের মধ্যে বাসটিকে জীবাণমুক্ত করা হয়৷এই পরিস্থিতিতে বাসটিকে এম আর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে বলা হয়৷ কিন্তু আর ওই মহিলাকে নিয়ে বাসে চালিয়ে নিয়ে যেতে রাজি হননি বাসচালক৷ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর শেষ পর্যন্ত প্রায় আট ঘণ্টা পর অনেক বুঝিয়ে ওই মহিলা এম আর বাঙুর হাসপাতালে যেতে রাজি হন৷

বাস থেকে নামিয়ে অবশেষে অ্যাম্বুল্যান্সে করে ওই যাত্রীকে এম আর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷সুত্রের খবর  এ দিন সকাল ন’ টার আগেই ওই সন্দেহভাজন মহিলাযাত্রীকে দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার একটি বাস বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ঢুকে পড়ে৷ বাসটি বরাকর থেকে ধর্মতলা আসছিল৷ বাস চালক জানিয়েছেন, এ দিন ভোর চারটে নাগাদ বরাকর থেকে কলকাতাগামী বাসটিতে ওই মহিলা যাত্রী ওঠেন৷

বাসচালক জানান, বিশেষ ওই সরকারি বাসটিতে ওই যাত্রীকে নিয়ে কলকাতায় নিয়ে আসার জন্য স্থানীয় প্রশাসন থেকেই তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিল৷ওই মহিলার বাড়ি কলকাতার বেহালায় বলে দাবি চালকের৷ তিনি লখনউতে নিজের কর্মস্থল থেকে ফিরছিলেন৷ অভিযোগ, বাসে ওঠার পর থেকেই ওই মহিলা কাশছিলেন৷ তা দেখেই সন্দেহ হয় চালকের৷ এর পর কলকাতার ধর্মতলায় পৌঁছনোর পরেই বাসচালক পুলিশকে ওই মহিলার কথা জানান৷ এর পরেই পুলিশের পরামর্শ অনুযায়ী ওই বাস নিয়ে চালক সোজা বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে নিয়ে চলে আসেন৷

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!