কাউন্সিলরের শংসাপত্র থাকলে তবেই জুটছে জলাতঙ্কের প্রতিষেধক

councilor's certificate is rhetoric antidote
নোটিস পড়েছে দমদম পুর হাসপাতালে

আজবাংলা দমদম পুর হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে টাঙানো এ হেন নোটিস দেখে হতবাক ওই প্রতিষেধক নিতে আসা রোগীর আত্মীয়স্বজন। তাঁরা দেখেন, কাউন্সিলরের শংসাপত্র যাঁরা আনতে পারেননি, তাঁরা চলে যাচ্ছেন অন্যত্র। ওই কাউন্সিলরের শংসাপত্র থাকলে তবেই জুটছে প্রতিষেধক।

 

দমদম পুর হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে টাঙানো এ হেন নোটিস দেখে হতবাক স্থানীয় বাসিন্দা । দমদম পুর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, এত দিন পুর হাসপাতালগুলিকে বিনামূল্যে জেলা স্বাস্থ্য দফতর ওই প্রতিষেধক সরবরাহ করত। গত কয়েক মাস ধরে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কাছে চেয়েও পাওয়া যাচ্ছে না জলাতঙ্কের প্রতিষেধক। তাই পুরসভাকেই কিনতে হচ্ছে ওই ওষুধ। সরবরাহ তাই নিয়ন্ত্রিত। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, ‘‘আমাদের পুরসভা এলাকার কেউ যাতে বঞ্চিত না হন, তার জন্যই এই ব্যবস্থা।’’ কিন্তু সচিত্র পরিচয়পত্র দেখালেও তো কোন ওয়ার্ডের বাসিন্দা, তা জানা সম্ভব। তা হলে কাউন্সিলরের শংসাপত্র কেন? পুরপ্রধান বলেন, ‘‘শংসাপত্র থাকলে ভাল। নইলে পুর এলাকার বাসিন্দা নিশ্চিত করবে, এমন যে কোনও প্রমাণপত্র স্বাগত!’’ বিরোধী দলের সমর্থক, দমদমের এক বাসিন্দার মন্তব্য, ‘‘কাউন্সিলরের কাছে যেতে হলেও তো দশ জনকে ধরতে হবে! তা হলে তো প্রতিষেধক নিতে অনেক দেরি হয়ে যাবে।’’ সে ক্ষেত্রে কাউকে কুকুর, বেড়াল বা বাঁদর আঁচড়ে-কামড়ে দিলে কী হবে? প্রশ্ন তুলেছেন ওই বাসিন্দা। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রশ্ন, কাউন্সিলর যদি বাইরে থাকেন, তা হলে কী হবে? তাঁদের অভিযোগ, এতে তো ‘আমরা ওরা’ মতো একটা বিভাজন তৈরি হবে।