বিজেপির রথযাত্রার স্থগিত আদেশকে স্বাগত জানালো সিপিএম-কংগ্রেস-তৃণমূল

সিপিএম-কংগ্রেস-তৃণমূল
সিপিএম-কংগ্রেস-তৃণমূল

আজবাংলা  কোচবিহারে বিজেপির রথযাত্রার আর্জি খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। এই নির্দেশকে স্বাগত জানান সিপিএম-কংগ্রেস-তৃণমূল । পরবর্তী শুনানি ৯ জানুয়ারি । সিঙ্গল বেঞ্চে রথযাত্রার অনুমতি না মেলায় সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করল বিজেপি নেতৃত্ব। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চেই মামলা। বিজেপির আবেদন শুনবেন প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত। শুক্রবার তাঁর ডিভিশন বেঞ্চে মামলা উঠবে।যদিও দিলীপ ঘোষ জানিয়ে দিয়েছেন, কোচবিহারে বিজেপির পূর্বনির্ধারিত সভা হচ্ছেই। আদালত শুক্রবার কী রায় দেয় তার ওপরে ভিত্তি করে ঠিক হবে রথযাত্রা কাল থেকে শুরু হবে কিনা। সিঙ্গল বেঞ্চ জানিয়েছে, আইন শৃঙ্খলার কথা মাথায় রেখে কোচবিহারে অনুমতি দেয়নি আদালত। এছাড়া ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যের কোথাও বিজেপি রথযাত্রা করতে পারবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছে। দিলীপ ঘোষ সহ বিজেপি নেতারা আগেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে রথযাত্রা বানচালের অভিযোগ এনে সরব হয়েছেন। রাজ্য সরকার গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষা করতে চাইছে না। ইচ্ছে করে রথযাত্রা আটকিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।  বিজেপি রথযাত্রা বা গণতন্ত্র বাঁচাও কর্মসূচির অনুমতি ও নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশের কাছে আবেদন জানায়। অভিযোগ, একাধিকবার আবেদন জানানো সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে নীরব রাজ্য পুলিশ প্রশাসন। এই অভিযোগে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। এবিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে মামলা করেন তিনি।এই নির্দেশকে স্বাগত জানান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র সহ সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রবীন দেব । এপ্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র বলেন, ‘আদালত সব দিক বিবেচনা করেই এই রায় দিয়েছে’ । রায়ের আগে দিলীপ ঘোষের বিতর্কিত মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিজেপি কোনও দিনই কোনও নিয়ম মেনে চলে না’ । তাই দিলীপবাবুর এধরনের মন্তব্য খুব স্বাভাবিক বলেই তিনি মন্তব্য করেন । একইভাবে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রবীন দেব আদালতের রায়কেই সমর্থন করেন । এছাড়া তৃণমূলের দিলীপ ঘোষের গাড়ি আক্রমণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ”এদের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে, কে কত আগে যায় । তারই ফল এটা” বলেই মন্তব্য করেন তিনি ।