প্রথমবার বিশ্বকাপ ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া

Croatia for the first time in the World Cup
প্রথমবার বিশ্বকাপ ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া

আজবাংলা  এই প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালে পৌঁছলেও দাভর সুকেরের হাত ধরে ১৯৯৮-এ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে পৌঁছয় ক্রোয়েশিয়া। সেবারই তারা প্রথম বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেবার সেমিফাইনাল ক্রোটরা খেলেছিল ফ্রান্সেরই বিরুদ্ধে। প্রথমে গোল দিয়ে এগিয়ে গেলেও ২-১-এ তারা হেরে যায় সেই ম্যাচ। শুরুটা জয়ের মতোই করেছে ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৪ মিনিটে ক্রোয়েশিয়ার ডি-বক্সে ঢোকার মুহূর্তে ডেলে আলিকে ফাউল করে বসেন ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক লুকা মডরিচ। গোলপোস্টের ২০ গজ দূর থেকে নেওয়া দুর্দান্ত ফ্রি কিকে ক্রোয়াটদের বুকে ছুরি চালান কিয়েরান ট্রিপিয়ের। নকআউট পর্বে সরাসরি ফ্রি কিক থেকে প্রথম গোল এটি। ২২ মিনিটে ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেন গোল ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ হাতছাড়া করেন। ২৯ মিনিটে এসে আবারও গোলের সুযোগ নষ্ট করে ইংল্যান্ড। এবারও কেনের মিস। এরপর প্রতি আক্রমণে উঠে আসে ক্রোয়েশিয়া।

এই ধরনের আরো খবর জানতে আমাদের ফেসবুক পাতায় লাইক করুন

ইংলিশদের ডি বক্সে ভয় ধরিয়ে দেন আন্তে রেবিচ। তাঁর শট আটকে দেন ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে প্রথমার্ধ শেষ হয় ইংল্যান্ড ১-০ ক্রোয়েশিয়া স্কোরলাইনে। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৮ মিনিটে এসে ক্রোয়েশিয়াকে সমতায় ফেরান ইভান পেরিসিচ। সিমে ভরসালিয়োকোর হাওয়ায় ভাসানো ক্রস উঁচুতে উঠে পা ছোঁয়ান পেরিসিচ। ১-১ গোলে সমতায় ফেরে ক্রোয়েশিয়া। এর আগে ৬৪ মিনিটে ক্রোয়েশিয়াকে নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত করেন ম্যানচেস্টার সিটি ডিফেন্ডার কাইল ওয়াকার। সমতায় ফিরে ক্রোয়েশিয়ার খেলায় গতি আসে। সমতাসূচক গোলের মিনিট দু-এক পর পেরিসিচের শট গোলপোস্টে লেগে ফিরে না এলে ক্রোয়েশিয়া দুই নম্বর গোলটি তখনই পেত। ৮২ মিনিটে এসে আবারও সুযোগ পায় ক্রোয়েশিয়া। মারিও মানজুকিচের ক্রস থেকে মার্সেলো ব্রোজোভিচের ভলি দুর্দান্তভাবে আটকে দেন ইংলিশ গোলরক্ষক পিকফোর্ড। খেলা গড়ার অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত। ১০৯ মিনিটে মারিও মান্ডুজুকিচ নির্ণায়ক গোল করে ক্রোয়েশিয়াকে বিশ্বকাপ ফাইনালে পৌঁছে দেন।