ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এই ঘূর্ণিঝড়ের উত্‍পত্তি ও বুলবুল নাম হল কেন

ঘূর্ণিঝড়ে
ঘূর্ণিঝড়ে

আজবাংলা গতি বাড়িয়ে বুলবুল দ্রুত এগিয়ে আসছে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দিকে। ফলে সকাল থেকে উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে শুরু হয়েছে তুমুল বৃষ্টি, সঙ্গে বইছে ঝোড়ো হাওয়া। কলকাতাতেও চলছে বৃষ্টি। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া।আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, শনিবার রাত ৮টা থেকে ১২টার মধ্যে এ রাজ্যের সাগর দ্বীপ ও বাংলাদেশের খেপুপাড়ার মধ্যবর্তী এলাকায় আছড়ে পড়বে বুলবুল। এই মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের খেপুপাড়া থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে ১১৫কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে এটি। অন্য দিকে, দিঘাথেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে বুলবুল। ১০ বছর আগে আয়লার বিপর্যয়ের কথা মাথায় রেখে এ রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাদক্ষিণ ২৪ পরগনা, সুন্দরবন, বকখালি, ঝড়খালি, সাগর— এ সব এলাকা থেকে বহু মানুষজনকে সরিয়ে আনা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ওই সব জায়গায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইছে।

সঙ্গে চলছে প্রবল বৃষ্টি। অন্য দিকে, দিঘা, মন্দারমণি, শঙ্করপর, তাজপর, বকখালি, এই সব সমুদ্রসৈকতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে। ইতিমধ্যেই পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন জায়গা থেকে বহু মানুষকে সুরক্ষিত স্থানে সরিয়ে আনা হয়েছে। জেলার পাশাপাশি কলকাতাতেও শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, কলকাতা-সহ দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি ও নদিয়ায় আগামী ৪৮ ঘণ্টা বৃষ্টি চলবে। কিন্তু এই ঘূর্ণিঝড়ের উত্‍পত্তি উত্তর আন্দামান সাগরে এই ঘূর্ণিঝড়ের উত্‍পত্তি বলে জানা গেছে। ৫ই নভেম্বর সেখানে প্রথমে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়, ছয় তারিখে গভীর নিম্নচাপ এবং সাত তারিখে দুপুরের দিকে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়। ওইদিন রাত থেকে এটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়। কিন্তু বুলবুল নাম হল কেন প্রতিবছরই বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়। এজন্য আর্কাইভে আগে থেকেই নাম সংরক্ষণ করা থাকে।নামগুলো নির্ধারণ করা হয় আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী রাষ্ট্রগুলো নিয়ে গঠিত ৮ সদস্যের একটি প্যানেল থেকে। সংস্থাটির নাম ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কাউন্সিল ফর এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক- এসক্যাপ।তারা নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে নাম প্রস্তাব করেন, এবং সবার সম্মতির ভিত্তিতে সেটা অনুমোদন করা হয়।বর্তমানের “বুলবুল” নামটি পাকিস্তান থেকে দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!