কর্ণ বেরার বন্দুকের ঘায়ে জখম এএসআইয়ের মৃত্যু

কাঁথি মহকুমা হাসপাতাল
কাঁথি মহকুমা হাসপাতাল

আজবাংলা  পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি মহকুমা আদালতে  কর্ণ বেরার বন্দুকের ঘায়ে জখম এএসআইয়ের গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভরতি করা হয় । পরে কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় তাঁকে। দীর্ঘদিন ধরে চলে চিকিত্‍সা। দিনকয়েক আগেই সুস্থ হন। আবারও কাজে যোগ দিয়েছিলেন এএসআই সুশান্ত রানা। বুধবারও রুটিনমাফিক কাজে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সন্ধেবেলা কাঁথি আদালতের কাছে একটি এটিএমে গিয়েছিলেন ওই এএসআই। সেখানে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। অচৈতন্য হয়ে যান। স্থানীয় বাসিন্দারা এটিএমের সামনে অচৈতন্য অবস্থায় দেখতে পান তাঁকে। কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ভরতি করা হয় এএসআই সুশান্ত রানাকে। বেশ কিছুক্ষণ চিকিত্‍সা চলার পর গভীর রাতে মারা যান তিনি। চিকিত্‍সকদের দাবি, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মারা গিয়েছেন ওই এএসআই। নিহত সুশান্ত রানা, হাওড়ার বাসিন্দা। কর্মসূত্রে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতেই থাকতেন তিনি। পেট্রল পাম্পে ডাকাতি মামলায় গত ৩ অক্টোবর পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলার কথা ছিল তাকে। ওইদিনই কর্ণকে আদালতে তোলার সময় বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী বোমা ও বন্দুক নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বোমাবাজি করে কর্ণকে ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তার সাগরেদরা। কর্ণকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এএসআই সুশান্ত রানা। অভিযোগ, সেই সময় কর্ণ ওই এএসআইয়ের মাথায় বন্দুকের বাঁট দিয়ে আঘাত করে। মাথায় চোট পেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ওই পুলিশ আধিকারিক। ঘটনাস্থল ছেড়ে চম্পট দেয় কর্ণ। পরে যদিও তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।