অনুব্রত মণ্ডলের নিরাপত্তায় মহিলারক্ষী মোতায়েনকে ঘিরে বেশ শোরগোল

অনুব্রত মণ্ডল
অনুব্রত মণ্ডল

আজবাংলা   গত চার-পাঁচ বছর ধরেই বীরভূম জেলার তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান। এখন তার নিরাপত্তায় পুরুষ নিরাপত্তারক্ষীদের পাশাপাশি চারজন অতিরিক্ত মহিলা নিরাপত্তারক্ষীও নিয়োগ করা হয়েছে। তা নিয়েই উষ্মা প্রকাশ করেছেন নানাজনে। জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেলেও অনুব্রত মণ্ডলের নিরাপত্তায় মহিলা নিরাপত্তারক্ষী ছিল না। কিন্তু এবার থেকে অনুব্রত মণ্ডল যেখানে সভা করবেন সেখানে সভামঞ্চের পিছনে চার জন করে মহিলা নিরাপত্তারক্ষী থাকবেন বলে সূত্রের খবর। তাঁরা মূলত সভা চলাকালীন বা সভার শেষে অনুব্রত গাড়িতে ওঠা পর্যন্ত নজরদারি চালাবেন।তা নিয়েই উষ্মা প্রকাশ করেছেন নানাজনে। সাধারন মানুষের বক্তব্য, পুলিশ সাধারন মানুষকেই নিরাপত্তা দিতে পারছে না, শুধু ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবছে। আর জেলার বিরোধীদের বক্তব্য, সরকার মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে অপারগ। সেখানে শাসক দলের নিরাপত্তায় মহিলাদের নিয়োগ করা কার্যত সাধারন মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা ছাড়া আর কিছুই নয়। সূত্রের খবর,রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর পরে সব থেকে বেশি নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন যাঁরা, তাঁদের মধ্যে অনুব্রত মণ্ডল তন্যতম। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার আগে তাঁর উপর একধিক বার আক্রমণ হয়েছে। এমনকী, তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিও চালানো হয়েছিল।বর্তমানে তাঁর ৬ জন সর্বক্ষণের নিরাপত্তারক্ষী রয়েছে। এঁদের মধ্যে পাঁচ জনের কাছে থাকে একে ৪৭। প্রসঙ্গত, শনিবার মল্লারপুরের সভাতে সভামঞ্চের পিছনে দু’জন মহিলা নিরাপত্তারক্ষীকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।  এরপরেই বিষয়টি সামনে আসে। এই বিষয়ে জেলার প্রথম সারির এক তৃণমূল নেতা বলেন, ‘‘উনি জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন। তাই তাঁর নিরাপতায় মহিলা নিরাপত্তারক্ষী থাকাটাই স্বাভাবিক। কিছু দিন আগেই লকেট চট্টোপাধ্যায়  কে অনুব্রত মণ্ডলকে ঝাড়খণ্ড-দাওয়াই দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে