২৬ বছর আগে এই দিনটিতেই ধ্বংস হয়েছিল বাবরি মসজিদ।

destroyed 26 years ago on Babri Mosque.
দিনটিতেই ধ্বংস হয়েছিল বাবরি মসজিদ।

আজবাংলা প্রতিবছর ৬ ডিসেম্বর দিনটিকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দল ‘শৌর্য দিবস’ ও ‘বিজয় দিবস’ হিসেবে পালন করে। অন্যদিকে মুসলিম সম্প্রদায় দিনটিকে ‘ইয়াম-ই-গম’ (দুঃখের দিন) ও ‘ইয়াম-ই-শ’ (কালা দিবস) হিসেবে পালন করে। দুই সম্প্রদায়ের দুভাবে দিনটি উদযাপনের জন্য অশান্তির আশঙ্কা থেকেই যায়। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে পুলিশ। তবে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, দুই সম্প্রদায়ের মানুষই যাতে তাদের অনুষ্ঠান ঠিকমতো সম্পন্ন করতে পারে তার জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।  এত নিরাপত্তা সত্ত্বেও কিন্তু অশান্তি ছড়ানোর আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। বুধবার হিন্দু সমাজ পার্টির চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রাম জন্মভূমি থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর জন্য আঁটঘাট বেঁধে তৈরি হচ্ছিল তারা। এখনও পর্যন্ত অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার উপর ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে ক্রমশ মাথাচারা দিয়ে উঠছে রাম মন্দির ইস্যু। উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় শৌর্য্য দিবস পালন করবে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)। এরপর আগামী ১৮ ডিসেম্বর গীতা জয়ন্তী পালন করা হবে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরম্পরাগত ভাবে অযোধ্যায় শৌর্য্য দিবস পালন করা হবে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ছাড়াও এই দিবসটি উদযাপন করে থাকে একাধিক সংগঠন। এই দিনটিতে বিশেষ যজ্ঞেরও আয়োজন করা হবে। রাম মন্দির নির্মাণ যাতে সার্থক পরিণতি পায় সেই প্রার্থনা করা হবে। পাশাপাশি এদিন মা সরস্বতীর আরাধনা করা হবে। এর পাশাপাশি আগামী ৯ ডিসেম্বর রাজধানী দিল্লিতে ধর্মসভার আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচ লক্ষ জনসমাগম হওয়ার কথা রয়েছে ওই ধর্মসভায়। আবার আগামী ৩১ জানুয়ারি এবং ১ ফেব্রুয়ারি প্রয়াগরাজে ধর্ম সংসদের আয়োজন করা হয়েছে।