শিলিগুড়ির ঘোষপুকুরে উওরবঙ্গ গ্রামীণ ক্ষেত্রীয় ব্যাঙ্কে আগুন,ব্যাপক আতঙ্ক এলাকায়

Dholiguri Ghosapukure in the village of Urong, a panic banking area, the panic panic
শিলিগুড়ির ঘোষপুকুরে উওরবঙ্গ গ্রামীণ ক্ষেত্রীয় ব্যাঙ্কে আগুন,ব্যাপক আতঙ্ক এলাকায়

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের অন্তরর্গত ফাঁসিদেওয়া ব্লকের ঘোষপুকুরের উওরবঙ্গ গ্রামীণ ক্ষেত্রীয় ব্যাঙ্কে বিধংসী আগুন পুড়ে ছাই বেশ কিছু জিনিস পত্র থেকে যাবতীয় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এই ঘটনায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। জানা গিয়েছে যে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এলাকার বাসিন্দারা ওই ব্যাঙ্কের মধ্যে থেকে ধোঁয়া বেরোতে থাকে। এই দেখে স্থানীয়রা তরীঘরী খবর দেন পুলিশ ও দমকলকে। অপরদিকে এই ঘটনার খবর ঘটনাস্থলে পৌঁছন ঘোষপুকুর থানার পুলিশ। এরপর পুলিশ ও স্থানীয়রা জল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। এবং এই ঘটনায় দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে প্রায় ঘন্টাখানের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কী ভাবে আগুন লাগল তা জানা যায়নি। যদিও দমকল কর্মীদের প্রাথমিক অনুমান যে শর্টসার্কিটের ফলে আগুন লাগে। অপরদিকে এই ঘটনার খবর সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের বাধাদেন উত্তরবঙ্গ ক্ষেত্রীয় ব্যাঙ্কের কর্মী। এমনকি সাংবাদিকদের ফোন পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়। এবং বচসা শুরু করে। এর পাশাপাশি সাংবাদিকরা তাদের পরিচিয় দিলেও তাদের ছবি করতে দেননি। এবং আটকে রাখেন। এই ঘটনার ব্যাপারে কোন কথা বলতে চাননি তারা। অন্যদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ যে ব্যাঙ্কের মাধ্যে কোন অগ্নি নিবার্পন ব্যবস্থা ছিল না। তবে যদি থাকতো তাহলে এই রকমের দুর্ঘটনা ঘটত না। আর যদি থকেউ থেকেউ থাকে তাহলে কেনই বা সঠিক সময়ে কাজ করল না। এর পাশাপাশি স্থানীয়দের আরও জানান রাত্রি বেলায় কোন নাইট গার্ডও থাকতো না। এবং এই এলাকায় একটি মাত্র ব্যাঙ্ক তারপরেও কোন হেলদোল নেই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের। বেশ কিছুদিন আগে কলকাতায় বাবরি মার্কেটে বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তার পরেও ঘনক নরেরি কারও।এই ভাবে চলতে থাকলে সাধারণ মানুষ কী করবে প্রশ্ন সাধারণ মানুষের। যদিও এই রকম ঘটনায় ব্যপক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এবং পাশেই ছিল ঘোষপুকুর বাজার। যে কোন মুহূর্তে ঘটে যেতে পারতো বড় সড় দুর্ঘটনা।