শনিদেবকে খুশি করতে ভুলেও এই খাবারগুলি খাবেন না!

Saturn

আজবাংলা     খাবারের সঙ্গে শনি ঠাকুরের রেগে যাওয়া বা প্রসন্ন হওয়ার সম্পর্কটা ঠিক কোথায়? জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে শনি ঠাকুর বেশ কিছু খাবার একেবারেই পছন্দ করেন না।তাই তো এই সব খাবারগুলি শনিবার খেলে দেব এতটাই ক্ষেপে যান যে সেই ব্যক্তির জীবন দুঃখের ছায়ায় ঢেকে যেতে সময় লাগে না। তাই তো বলি বন্ধু, সুখে-শান্তিতে থাকতে যে যে খাবারগুলি সপ্তাহের এই বিশেষ দিনে এড়িয়ে চলাই শ্রেয়, সেগুলি হল।

আম বাঙালির আমের আচার ছাড়া খাবার মুখে রচে না ঠিকই, কিন্তু শনি দেবকে প্রসন্ন করতে একদিন এই মুখরচক খাবারটির দিকে ফিরেও তাকানো চলবে না। কারণ এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে শনিবার আমের আচার খেলে শনি দেব এতটাই রেগে যান যে অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত নানা ঝামেলাও মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। তাই তো বলি বন্ধু একদিন যদি জিহ্বার কথা না শোনেন তাহলে কিন্তু বেজায় মঙ্গল!জানি বন্ধু জানি শুনতে হয়তো একটু আজব লাগছে। কিন্তু একেবারে ঠিকই শুনেছেন! কারণ জ্যোতিষ শাস্ত্রের উপর লেখা একাধিক বই অনুসারে শনিবার দই বা দুধ খেলে শনির বক্র দৃষ্টি পরার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

শুধু তাই নয়, শনি গ্রহের খুপ্রভাবে কর্মক্ষেত্রে নানাবিধ সমস্যাও দেখা দেয়। সেই সঙ্গে যে কোনও কাজই সহজে হতে চায় না। ফলে মানসিক শান্তি দূরে পালাতে যে সময় লাগে না, তা তো বলাই বাহুল্য! শনি দেবকে প্রসন্ন করতে চান নাকি? তাহলে প্রতি শনিবার নিয়ম করে শনি মন্ত্র জপ করতে করতে দেবের অরাধনা যেমন করতে হবে, তেমনি আজ ভুলেও মুসর ডাল খাওয়া চলবে না। কারণ জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে সপ্তাহের এই বিশেষ দিনে এই ডালটি খেলে জন্ম কুষ্টিতে শনি গ্রহের অবস্থানে পরিবর্তন আসতে শুরু করে, যার প্রভাবে অর্থনৈতির ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যেমন বেড়ে যায়, তেমনি নানাবিধ বিপদের খপ্পরে পরার সম্ভাবনাও থাকে।

শাস্ত্র মতে প্রতি শনিবার কালো তিল বীজ এবং সরষের তেল নিবেদন করে যদি দেবের অরাধনা করা হয়, তাহলে শনি ঠাকুর এতটাই প্রসন্ন হন যে শনির সাড়ে সাতির প্রভাব কমতে সময় লাগে না। কিন্তু একেবারেই উল্টো ঘটনা ঘটে যদি শনিবার কালো তিল বীজ খাওয়া হয় তো। তাই বলি বন্ধু, সাড়ে সাত বছর ধরে দুঃখ-কষ্টের জীবন কাটাতে যদি না চান, তাহলে ভুলেও এই জিনিসটি শনিবার খেতে যাবেন না যেন!এমন বিশ্বাস রয়েছে যে প্রতি শনিবার দেবের ছবি বা মূর্তির সামনে সরষের তেলে জ্বালানো প্রদীব রাখলে দেব বেজায় প্রসন্ন হন। আর ঠাকুরের পুজোর কাজে যে তেলকে কাজে লাগানে হচ্ছে, তাকে কাজে লাগিয়ে যদি রান্না করা হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সর্বশক্তিমান যে বেজায় রুষ্ট হন, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে।

তাই তো বলি বন্ধু, জন্ম কুষ্টিতে শনি গ্রহের অবস্থান ঠিক থাকুক, এমনটা যদি চান, তাহলে ভুলেও আজকের দিনে সরষেল তেলে বানানো কোনও খাবার খেতে যাবেন না যেন! হাজার হাজার বছর আগে লেখা একাধিক বইয়ে এমনটা দাবি করা হয়েছে যে শনি দেব সুরাপান যেহেতু পছন্দ করেন না। তাই আজ অ্যালকোহল সেবন করলে দেব এতটাই অসন্তুষ্ট হন যে শনি গ্রহের প্রভাবে নানাবিধ ঝামেলায় জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে কর্মজীবনে সম্মানহানীর আশঙ্কাও থাকে। তাই সাবধান বন্ধু সাবধান!বাঙালি পদে লাল লঙ্কা পরবে না, তা কখনও হতে পারে নাকি! কিন্তু শনি দেব আপনার উপর ভিষণ রকম রেগে যাক, এমনটা যদি না চান, তাহলে শনিবার করে লালা লঙ্গার ব্যবহার নৈব নৈব চ! তবে ইচ্ছা হলে কাঁচা লঙ্কা খেতেই পারেন। কিন্তু শনি দেবকে খুশি করে যদি বাকি জীবনটা সুখ-শান্তিতে কাটাতে হয়, তাহলে ভুলেও লাল লঙ্কা খেতে যাবেন না যেন!

 

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!