ফেসবুক প্রেমে আত্যহত্যা স্বীকার মেয়েরা, সোস্যাল মিডিয়া নিয়ে হুঁশিয়ারি পুলিশের

উত্তর দিনাজপুর পুলিশ
উত্তর দিনাজপুর পুলিশ

তন্ময় দাস, আজ বাংলা, উত্তর দিনাজপুরঃ  কে আসল? কে নকল? কে সাধু কে জোচ্চর? সামনা সামনি থেকেও যাকে আমরা চিনতে পারি না। কাজেই এই অচেনা ফেসবুক বন্ধু নিয়ে বর্তমান মেয়েরা সাবধান হোন। ফেসবুক নিয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন উত্তর দিনাজপুর জেলার পুলিশ সুপার । উত্তর দিনাজপুর পুলিশ সমাজের মেয়েদের এই সোস্যাল মিডিয়া থেকে কিভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন সে কথা মথায় রেখে জেলার বিদ্যালয় গুলিতে শুরু করেছে সচেতনতা ক্লাস। এই দিন জেলার পুলিশ সুপার জানান সোস্যাল মিডিয়া একটা বড়ো নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে অনেক মেয়েরা দুর্ঘটনায় কবলেও পড়ছে । কি কি ভাবে ব্যবহার করা উচিৎ তার জন্য মেয়েদের স্কুলে কলেজে উত্তর দিনাজপুর পুলিশ সব রকম পদক্ষেপ নিচ্ছে। সোস্যাল মিডিয়া নামটি খুব পরিচিত নাম। এই সোস্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে পড়ছে দেশের প্রতিটি কোনে পিছিয়ে নেই রাজ্যের উত্তর দিনাজপু।ফেসবুক যে নামটির সাথে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা জড়িয়ে পড়ছে। দিনের বেশির ভাগ সমটা এই সোস্যাল মিডিয়ার সাথে যুক্ত তাতে ভয়ানক বিপদের মুখোমুখিতে প্রবেশ করছেন মেয়েরা ।জেলা পুলিশ সব সময় লাগাতার প্রচার করে চলেছে। মেয়েরা নিযে সচেতন হোন।সাম্প্রতি এই ফেসবুক প্রেম বা ফেসবুক বন্ধু নিয়ে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কলকাতা ও লালবাজার পুলিশ। ফেসবুকে কখনোই অচেনা মানুষকে বুঝা য়ায় না কে আসল কে নকল। আমাদের মেয়েরা নিজের পড়ার বই থেকে এই ফেসবুক নিয়ে বেশি ব্যস্ত পুলিশ ও ক্রাইম ব্রাঞ্চ এর অভিজ্ঞতা বলছে ফেসবুক বন্ধু নিয়ে একের পর এক অপরাধ ঘটে য়াচ্ছে । ইন্টারনেটে মধ্যে নিজেকে বুঁদ করে রাখা নয়া প্রজন্মের এই দুর্বলতাকে হাতিয়ার করে ফেসবুকের জাল বিছোচ্ছে নানা চক্র। মেয়েরা এই চক্রের বেশি জড়িয়ে পড়ছে যখন হুশ ফিরছে মাথা চাপড়ানো ছাড়া কিছুই করার থাকছে না শুরু তাই নয়। ফেসবুক বন্ধু থেকে প্রানের সম্পর্কে জড়িয়ে ব্ল্যাকমেল করার অভিযোগ বিস্তর।  কিভাবে এই ফেসবুকের প্রেমে জড়িয়ে পড়ে? ফেসবুক এ নতুন ছবি, দেখা য়ায় বেশির ভাগ সময় বাইকের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি পোস্ট কমান্ডার জোয়ার হয়ে পরে, তার মধ্যে অনেক কমান্ড মেয়ের নামের ফেসবুক থেকে করা হয়।আসলেই উদ্দেশ্য করে কিছু ভোলা ভালা মেয়েকে দেখানোর জন্য। আর এই মরন চক্রে জড়িয়ে য়ায় সেই সব নিস্পাপ মেয়েরা।তারা জানেও না কি হতে চলেছে। প্রথম দিনের হায়-হ্যঁলো থেকে শুরু কিছু দিন মিষ্টি মিষ্টি রসে ডুবানো কথায় গলিয়ে মন জয় করে কিছু চক্রের ছেলে মেয়ে আর সাম্প্রতি এই চক্রে কবলে মেয়েরা বেশি পরিমানে জড়িয়ে পড়ছে।জিবুল হোশেন নামে এক প্রেমিক জানান অচেনা মানুষকে বিশ্বাস?সে কি প্রকৃতির জানির কোন উপায় থাকে না আমাদের বেশিরভাগ ছেলে উদ্দেশ্য করে ফেক বা পরিচয় দিয়ে নিজের প্রফাইল করে, ফেসবুকে বিশ্বাস করার য়ায় না কখনোই ভালো সম্পর্ক ফেসবুকে হয়ে পারে না, অনেক দেখা য়ায় মায়েরা নিজের ফেসবুক বন্ধু কে সম্পর্ক করেছে কিন্তু কয় টা সম্পর্ক ভালো আছে। খুব বেশি কয় মাস ভলো হয় তার পরে বুঝা য়ায় আসল চরিত্র। বাধ্য হয়ে মেয়েরা নিজেকে অপরাধী মনে করে জীবন শেষ করে দেয় এছাড়া তিনি বলেন ফেসবুকে শুধুই টাইম পাশের জায়গ। তেমনি নাম প্রকাশ্যে নাম জানাতে অনিচ্ছুক এক মেয়ে জানান ফেসবুকের প্রেমে কখনোই সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে না, ফেসবুক হল এক সোস্যাল নেটওয়ার্ক আমরা চেনা মানুষের সাথে কথা বলি তবেই সঠিক আছে।অচেনা মানুষকে কি করে বিশ্বাস করা য়ায় কিছু দিন আগে আমার দিদি সাথে কলকাতার এক ছেলের সাথে পরিচয় তার পরের ঘটনার কথা বলতেই দুই চোখের জল নিয়ে থেমে পরেন বাকিটা জানা য়ায় তার পাশের বান্ধবীর সুত্র জানা য়ায় ফেসবুক প্রেমের আবদ্ধ হয়ে য়ায় দিদি পরিবার বুঝিয়েও কাজ হয় নি। সেই বন্ধু সাথেই সম্পর্ক করে পরে শারিরীক ভাবে অত্যাচার করা হয়। সহ্য না করতে পেরে আত্যহত্যা পথা বেছে নেয়। পরিবার সব জানার পরে নিয়ে আসে অন্য জায়গায় বিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাদ যায় নি উত্তর দিনাজপুর এর মেয়েরাও একি ভাবে এই ফেসবুকের প্রেম জড়িয়ে প্রতারণা স্বীকার হতে হয়েছে অনেকে। তার দের মধ্যে অনেকে আজ এই জগৎ থেকে চলে গিয়েছে। ফেসবুক মার্ক জাকারবার্গের এক ওয়েবসাইট বানাতে গিয়ে ভুল ক্রেমে ফেসবুক তৈরি করে ফেলেন।অল্প দিনেই খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠে। সময়ের সাথে সাথে মানুষকে এক ধাপ এগিয়ে এনেছিন। কিছু অসাধু এই ফেসবুক কে হাতিয়ার করে নানা অপরাধ মূলক কাজ করেই চলেছে য়ার পরিনতি ফল দিয়ে হচ্ছে মেয়েদের।উল্লেখ্য এই ফেসবুক প্রেম পিছিয়ে নেই উত্তর দিনাজপুর জেলার মেয়েরা , রায়গঞ্জ এর বেশ কিছু মেয়ে আজ এই কবলে।
রায়গঞ্জ সুভাষগঞ্জের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পরিবারের মেয়ের ফেসবুকে আলাপ কলকাতা বন্ধুর সাথে পরিবারের অমতে বিয়ে হয়। কিছু দিন পরে বাবার বাড়ি চলে আসে। জানা য়ায় নানা মিথ্যা কথায় ভরা, নানা ভাবে অত্যাচার কিরে বাদ্য হয়েই বাবার কাছে চলে আসি । রক্তিম সরকার নামে এর ফেসবুক ব্যবহার কারি বলেন আমরা সবাই ফেসবুক করি ভালো লাগে, অনেক সময় বোরিং মনে হয় কিছু সময় কাটাই। কিন্তু তার মানে এই না য়াকে চিনি না, পরিচয় নেই, বিশ্বাস করে তাকে জীবন কে মৃত্যু তে ফেলে দি।য়ে ভুল টাই আমাদের মেয়েরা করে থাকে । অনেক সময় দেখা য়ায় ছেলেটি মেয়ের বা তার পরিবার এর দিদি, বৌদির সাথে কথা বলে তার মানে এটাও না সেই ছেলে সত্যি বলেছে। আমারা কেউ জানি না সেই ছেলে য়া বলে তা যদি সত্যি মনে করে এগিয়ে যাই আমি বলবো নিজের পায়ে কুড়াল মারা। আমরা খবরে পাতা খুললেই দেখি এখন মেয়েরা বেশি আত্যহত্যা করছে কেন করছে কারন বেশির ভাগ ফেসবুক প্রেম। সোস্যাল মিডিয়া নিয়ে আমাদের পুলিশ বারবার সচেতনতা করেই চলেছে। প্রতিটি মেয়ের গাইড এর জন্য পুলিশ প্রশাসন থাকতে পারব না সমাজের দিক গুলি বুঝতে হবে। উত্তর দিনাজপুর বিদায়ী স্বাস্থ্য কর্মদক্ষ জানান আমাদের ছেলে মেয়েরা হাতের কাছে মোবাইল পেয়ে য়াচ্ছে, যুক্ত হচ্ছে ইন্টারনেটে। ফেসবুকে নিজেকে বেশি সময় নিয়ে ব্যস্ত । পড়াশোনা থেকে নিজের ফোন নিয়েই ব্যস্ত। সাধারণ ১৭-২০ বছরের মেয়েরা এর প্রতি বেশি মনোযোগ দিয়ে থাকে, এই বয়সে মেয়েরা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না নতুন বন্ধুর সাথে পরিচয় হচ্ছে তাদের কথায় নিজেকে মনে করে সঠিক পথেই যাচ্ছে। কিন্তু ভুল বুঝতে পারে জীবনের শেষ লগ্নে।সংবাদ মাধ্যমে য়ে ভাবে প্রতিটি খবর আমাদের কাছে এনে দেয় য়দি কেউ না বুঝে মনে করে প্রেমেই তার কাছে আসল জীবন। তার পরিনতি ভালো হয় না।অনেক সময় হয় দেখা য়ায় তাদের পরিচয় স্কুল বা টিউশন সেটা হয়ে থাকে কিন্তু জলপাইগুড়ি থেকে কলকাতা অচেনা বন্ধুর সাথে সম্পর্ক কখনো সঠিক হয় না। এছাড়াও তিনি বলেন দেখা য়ায় বিদেশি মেয়েরা আমাদের রাজ্যের ছেলের জন্য ছুটে আসছে তার পরে কি হলো দুই দিন পরে কেউ জানি না। ফেসবুক নিয়ে এখন একাটাই কথা ফেকবুক তার অর্থ” ভুল বই” ভুল বই পরে পরীক্ষা দিলে কোন দিনোও ভালো রেজাল্ট এর আশা যেমন করা চাঁদ নিয়ে আশা মতো। প্রথম দিন চ্যটিং তার পড়ে ধীরে ধীরে ফেসবুক বন্ধু তার কিছু দিন পরে হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কল,ছবি আদান-প্রদান বিশ্বাস করে সব কিছুই।কিন্তু ওই “বিশ্বস্ত” বন্ধু যে অনেক সময় অনেক অবিশ্বাসের কাজ করে ফেলে তার প্রমান মিলেছে বহুবার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ জয়দেব নাথ ঘটনার পরে পুলিশ গ্রেফতার করে।  শুধু তাই নয় ফেসবুক আলাপের মধ্যে ঘটছে আরো বড়ো অপরাধ যেটা কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় আজ যুক্ত ছেলেরা।একবালপুরের ত্রিকোণ প্রেমের সম্পর্কে জেড়ে খুন হয় যুবক অভিযোগ । ধৃত ওই যুবতী সাথে পরিচয় হয় হায়দার নামে এক ফেসবুক বন্ধুর । আগেই এর আগে জেলার শহরের বহু তরুণী ফেসবুক প্রতারণা শিকার হয়েছেন য়েমন দমদমের এর যুবতীরা সাথে পরিচয় হয় এক ব্যক্তি। উত্তর কলকাতার এক অফিস ঘড়ে গল্প করার ছলে বলে ডেকে এনে ধর্ষণ। একি ভাবে এক কলেজ ছাত্রী অভিযোগ করেন। এক ব্যক্তির সাথে ফেসবুক প্রথমে চ্যটিং তার পরে ভিডিও কল এর ছবি স্কিনসট করে । সেই সুবিধা নিয়েই ব্যাকমেল করে, পরে সেই ছাত্রী কে চেতলার আসতে বলে সেখানেই সেই ছাত্রী কে শ্লীলতাহানি করে আবারো ছবি তুলে। এর পরে বাড়িতে ফোন করে ব্যাকমেল করে।পরে পুলিশ গ্রেপ্তার কিরে অভিয়ুক্তকে। ফেসবুক নিয়ে ব্যাকমেল নিজে প্রতিটি থানায় একাধিক অভিযোগ জমা পরেছে। সোস্যাল মিডিয়া নিয়ে লালবাজার ও উত্তর দিনাজপুর পুলিশ জানায় অভিযোগ পেলেই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। কিন্তু তার পরেই মানুষকে, মেয়েদের সচেতন হতে হবে।