ছদফা দাবি নিয়ে পঞ্চম বার্ষিক সম্মেলন দক্ষিন ২৪ পরগনা ব্রাহ্মণ পুরোহিত কল্যাণ সমিতির।

শান্তনু পুরকাইত, আজবাংলা দক্ষিন ২৪ পরগনা ছদফা দাবি নিয়ে পঞ্চম বার্ষিক সম্মেলনের আয়জন করে দক্ষিন ২৪ পরগনা ব্রাহ্মণ পুরোহিত কল্যাণ সমিতি। কাকদ্বীপ সুন্দরবন মহাবিদ্যালয়ে প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা। দক্ষি ২৪ পরগনা জেলার ২৯টি ব্লকের মধ্যো এগারোটি ব্লক এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত । প্রায় এক হাজার ব্রাহ্মণ সমর্থক এই সম্মেলনে যোগদেন।হিন্দু সমাজে উচ্চ সম্প্রদায় ব্রাহ্মণ সমাজ। উচ্চ জাতি হলেও সরকারি সিকৃতি না পাওয়াই সমস্যায় পরতে হচ্ছে ব্রাহ্মণদের । সরাকারি নানান সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে অবহেলিত হয়েপরছে ব্রাম্ভনরা।দারিদ্র সিমার নিচে বসবাস কারী পুরোহীতদের গৃহনির্মান।ষাটোদ্ধো পুরহিতদের মাসিক ভাতা। সমস্ত রেজিষ্ট্রিকৃত মন্দিরে পুরোহিতদের মাসিক ভাতা প্রদান।দারিদ্রো সিমা পুরোহিতদের বিনামূল্য পড়াশুনার সুবিধা। এছাড়া ব্লকে পুরোহিতদের পঠন পাঠন ও পরীক্ষা কেন্দ্রে চালু করা। অসংগঠিত ব্রাহ্মণদের স্বাস্থ্য বিমা চালু করা । এদিন সম্মেলনে কাকদ্বীপ মহাবিদ্যালয় থেকে মহামিছিল বের করেন । নেতৃত্ত দেন জেলা ব্রাহ্মণ কল্যান সমিতি সংগঠনের সম্মেলন সভাপতি শক্তিপদ চক্রবর্তী। ছিলেন সাংগঠনিক সভাপতি সুব্রত পঞ্চাধায়ি। ছিলেন জেলা সংগঠন সম্পাদক শঙ্কর প্রসাদ তিয়ারী । ২০১৭ সালে নবান্ন অভিযানের পর শুরু হয় জোর কদমে আনন্দলোন কর্মসূচি। ইমাম বা ময়ারজেম ভাতার মতোন এবার আন্দলনের পথে ব্রাহ্মণরা। কতটা কার্যকরিহয় এখন সেটাই দেখার।