বাংলাদেশকে ৪ উইকেটে হারিয়ে টি-২০ সিরিজ জিতল ভারত। এক ছক্কায় শেষ বাংলাদেশের স্বপ্ন

Hero of the final Kartik, India beat B
এক ছক্কায় শেষ বাংলাদেশের স্বপ্ন
Hero of the final Kartik, India beat B
এক ছক্কায় শেষ বাংলাদেশের স্বপ্ন

আজবাংলা বাংলাদেশের রাখা টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালই করে দুই ওপেনার অধিনায়ক রোহিত শর্মা ও শিখর ধবন ওভারে ১০ ওপর রান করতে থাকেন। তবে বেশিক্ষণ টেকেননি ধবন। ১০ রানেই আউট হয়ে যান। সুরেশ রায়না (০) এরপর লোকেশ রাহুলকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস গোছাতে শুরু করেন রোহিত, চার-ছক্কা মারতে লাগলেন নিজের ইচ্ছা মতো, অন্য প্রান্তে তাঁকে অনুসরণ করলেন লোকেশ রাহুল। ১০ম ওভারেই তাই লক্ষ্যের অর্ধেক তুলে ফেলল ভারত। এমন অবস্থায় ওভারের তৃতীয় বলে রুবেলের বাউন্সার। হুক করতে গিয়ে সাব্বিরের হাতে ধরা পড়লেন রাহুল। তৃতীয় উইকেটে ৫০ রানের পার্টনারশিপ হয়। সব যখন ঠিক চলছিল, সেই সময় ঘটে ছন্দপতন। আউট হন রাহুল (১৪ বলে ২৪)।  দলের স্কোর তখন ৩ উইকেটে ৮৩। রাহুল আউট হতে নামেন মণীশ পাণ্ডে। ফাইনালে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটা লং অন দিয়ে ছক্কা মারতে গিয়ে মাহমুদউল্লাহর কাছে ধরা পড়লেন রোহিত।  তখন জয় থেকে ৬৯ রান দূরে, হাতে ৪০ বল। রোহিত আউট হতে নামেন বিজয় শঙ্কর। এই সময় বাংলাদেশ ম্যাচে ফিরে আসে। ভারতের ওপর ক্রমাগত চাপ তৈরি হয়। ৩ ওভারে ৩৫ রান দরকার ছিল ভারতের। মোস্তাফিজ এলেন, প্রথম ৪ বলই ডট! পরের বলে ১ রান। শেষ বলে আউট মনিষ পান্ডে। মণীষ পাণ্ডে (২৭ বলে ২৮) ২ ওভারে করতে হতো ৩৪ রান। ম্যাচ তখন বাংলাদেশের দিকে । এই সময় নামেন দীনেশ কার্তিক , রুবেলের ৩ বলেই আবারও ভারতের দিকে ম্যাচ । রুবেলের ওভারে ৬ বলে করেন ২২ রান। এর মধ্যে ২ টি চার ও ২টি ছক্কা রয়েছে। শেষ ওভারে তখন জিততে ভারতকে করতে হবে ১২ রান । চাপ বাড়তে থাকে দীনেশের ওপর , প্রথম তিন বলে আসে তিন রান। চতুর্থ বল বাউন্ডারিতে পাঠান শঙ্কর। এখনও ২ বলে করতে হতো ৫ রান। আউট হন শঙ্কর । এক বলে পাঁচ রান। অর্থাৎ, একমাত্র ছয় ছাড়া জয় সম্ভব ছিল না। আর সেটাই করে দেখালেন দীনেশে কার্তিক। কভারের ওপর দিয়ে ছক্কা। ৮ বলে অপরাজিত ২৯ রান। ২টি চার ও ৩টি ছয়। স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন তিনিই।  বাংলাদেশর ফাইনাল উঠে আসে  শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঠিক ১২ রানই দরকার ছিল। বাংলাদেশের মূল বোলারদের আর কারও ওভার বাকি ছিলোনা । সৌম্য সরকারের প্রথম বলটা ওয়াইড। ৬ বলে ১১ রান। ডট, ১। ৪ বলে ১০ রান! আবারও ১, ৩ বলে ৯ রান। চতুর্থ বলে দুর্ভাগ্যক্রমে ৪, ২ বলে ৫ রান। পরের বল, উড়িয়ে মারলেন শংকর। দুই ফিল্ডার ধাক্কা খেলেন, তবে বল হাতছাড়া হলো না। আউট ।