আইআইসিটিসির হাত ধরে প্রথম বেসরকারি টুরিস্ট ট্রেনের যাত্রা শুরু

আইআইসিটিসির হাত ধরে প্রথম বেসরকারি টুরিস্ট ট্রেনের যাত্রা শুরু

কাছাকাছি কোথাও হোক বা সুদূর কোনও গন্তব্য, যাতায়াতের ক্ষেত্রে ভারতীয় রেলের (Indian Railway) ওপরই আস্থা রাখেন বেশিরভাগ দেশবাসী। দূরের যাত্রার ক্ষেত্রে রেলই ভরসা সিংহভাগ দেশবাসীর। ভারত গৌরব (Bharat Gaurav Scheme) প্রকল্পের আওতায় ভারতীয় রেলওয়ে আইআইসিটিসির হাত ধরে প্রথম টুরিস্ট ট্রেন নয়া দিল্লির শ্রী রামায়ণা যাত্রা সার্কিট থেকে ছাড়বে।

ট্রেনটি, সফদরজং রেলওয়ে স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করে শ্রী রামায়ণ যাত্রা সার্কিটে ভারত ও নেপালের মধ্যে প্রায় ৮ হাজার কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করবে। আইআরসিটিসি ভারতের প্রথম এজেন্সি যা টুরিস্ট ট্রেনের মাধ্যমে দুটি দেশের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি করবে। আইআরসিটিসি জানিয়েছে, এই বিশেষ ট্রেন সব মিলিয়ে ১৮ দিনের যাত্রা হবে।

এই ট্রেনের জন্য ৬৫ হাজার টাকা ভাড়া দিতে হবে। এই ট্রেন উত্তর প্রদেশ, বিহার, মধ্য প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, তামিলনাড়ু, অন্ধ্র প্রদেশ এবং তেলঙ্গানার মতো রাজ্যগুলিকে কভার করবে। ‘স্বদেশ দর্শন’-র আওতায় রামায়ণা সার্কিট দিয়ে ছুটে চলবে এই ট্রেন এবং ভগবান রামের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন স্থানে যাত্রীদের নিয়ে যাবে।

নেপালে অবস্থিত জনকপুরের রাম জানকী মন্দির পরিদর্শনও এই ট্রেন সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আইআরসিটিসি জানিয়েছে, এই ট্রেনে ৬০০ জনে যাত্রীর বসার আসন রয়েছে এবং এই ট্রেনটি অযোধ্যা, বক্সার, জনকপুর, সীতামারহি, কাশী, প্রয়াগরাজ, চিত্রকূট, নাসিক, হাম্পি, রামেশ্বরম, কাঞ্চিপুরম এবং ভদ্রাচলমের মতো শহরগুলিতে যাত্রীদের নিয়ে যাবে।

কেন্দ্রীয় সরকারের ‘দেখো আপনা দেশ’ প্রকল্পের আওতায় এই ট্রেন চালু করা হয়েছিল। এই ট্রেনের যাত্রীদের মাস্ক, স্যাটিটাইজার থেকে শুরু করে যাবতীয় সুযোগ সুবিধা দেবে আইআরসিটিসি। আইআরসিটিসি একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে যে এই ট্রেনে করে মন্দির দর্শন এবং স্মৃতিস্তম্ভের দর্শনীয় স্থান দেখার জন্য করোনা টিকার সব কটি ডোজ় নেওয়া থাকতে হবে এবং তার শংসাপত্রও থাকতে হবে। ট্রেনে ওঠার সময় যাত্রীদের কোভিড টিকার শংসাপত্র প্রিন্ট আউট করে নিয়ে যেতে হবে।