যে কোনও সময় গ্রেফতারির ভয়ে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী চিদম্বরমকে খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না

আজবাংলা আগাম জামিনের আর্জি জানিয়ে বুধবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন চিদম্বরমের আইনজীবীরা। জরুরি ভিত্তিতে শুনানির জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানান তাঁরা। বিচারপতি এন ভি রমানার এজলাসে মামলাটি উঠলে তিনি জানিয়ে দেন, মামলাটি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। বিষয়টি তিনিই দেখবেন। এ দিন আদালতে অযোধ্যা-সহ একাধিক মামলার শুনানি ছিল। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছিল, এই সব মামলার শুনানি শেষে চিদম্বরমের মামলাটির শুনানি হবে। কিন্তু শুনানির তালিকায় চিদম্বরমের বিষয়টি নথিভুক্ত না থাকায় জরুরি ভিত্তিতে শুনানি হয়নি আদালতে। ফলে চিদম্বরমের গ্রেফতারিতে আপাতত কোনও বাধা রইল না। আজ সকালে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে লুক আউট জারি করে ইডি। গতকাল থেকে তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে তদন্তকারীদের অভিযোগ। যদিও কপিল সিব্বলের দাবি, ফেরার হওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। গতকাল সন্ধেয় তাঁর অফিসেই চিদাম্বরম ছিলেন বলে কপিলের দাবি। অযোধ্যা মামলার শুনানি শেষ হতেই এজলাস থেকে বেরিয়ে যান প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করার কোনও সুযোগ পাননি চিদাম্বরমের আইনজীবী। এরপর রেজিস্ট্রি অফিসে অপেক্ষা করেন কপিল সিব্বলরা। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের অফিসে গিয়ে দেখা করেন রেজিস্ট্রি অফিসার। অযোধ্যা মামলা নিয়ে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ব্যস্ত থাকায় পিটিশন নথিভুক্ত করার সুযোগ পাননি কপিল সিব্বলরা। এ দিকে সিবিআই ও ইডি যৌথভাবে ক্যাভিয়েট দাখিল করে সুপ্রিম কোর্টে। যাতে তদন্তকারীদের কথা শুনে কোনও রায় না দিতে পারে সুপ্রিম কোর্ট।