স্বচ্ছ নেতা নেই তৃণমূলে,তাই সিপিএম এর প্রাক্তন নেতাদের তৃণমূলে আসার প্রস্তাব টিম পিকের

স্বচ্ছ নেতা নেই তৃণমূলে,তাই  সিপিএম এর প্রাক্তন নেতাদের তৃণমূলে আসার প্রস্তাব টিম পিকের

আজবাংলা    তৃণমূলের জন্য স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতা খোঁজার যে অভিযানে প্রশান্ত কিশোরের দলবল নেমেছিল তাতে আরও একবার ধাক্কা খেতে হল প্রশান্ত কিশোরের দলকে।  আসলে এই মুহূর্তে কাটমানি, আমফান, চালচুরির মতো বিস্তর দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ রাজ্যের শাসক শিবির। তাই বিধানসভা নির্বাচনের আগে কিছু স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতার খোঁজ করছে টিম পিকে।

আর তাতে শুরুতেই টার্গেট করা হচ্ছে বিভিন্ন স্তরের বাম নেতাদের। কিন্তু সেই লক্ষ্যে পদে পদে ধাক্কাই খেতে হচ্ছে পিকের দলবলকে।বেশ কিছুদিন ধরেই পিকের টিমের তরফ থেকে রাজ্যের সিপিএম তথা বামপন্থী নেতাদের কাছে ফোন যাচ্ছে। আসলে একুশের নির্বাচনে বামেদের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং গ্রহণযোগ্যতা কাজে লাগাতে চাইছেন বিহারের এই ভোটকুশলী।

এর আগে উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকজন সক্রিয় এবং নিস্ক্রিয় বামনেতাকে তৃণমূলে যোগের প্রস্তাব দিয়েছে প্রশান্ত কিশোরের দলবল। ফোন করা হয়েছে সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক লক্ষীকান্ত রায়, জলপাইগুড়ির প্রাক্তন সাংসদ মহেন্দ্রকুমার রায়ের মতো বাম নেতাদের। সব ক্ষেত্রেই অবশ্য প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন তাঁরা। এবার রাজ্যের প্রাক্তন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী তথা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দেবেশ দাসের কাছে ফোন গেল পিকের টিমের তরফে। তাঁকেও দেওয়া হল শাসক শিবিরে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব।

প্রাক্তন মন্ত্রীর দাবি, তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা প্রশান্ত কিশোরের টিমের তরফে তাঁকে ফোন করা হয়েছিল। ফোনে তাঁকে বলা হয়, “আপনার মতো স্বচ্ছ ভাবমূর্তির এবং গ্রহণযোগ্য নেতা আমাদের প্রয়োজন।” প্রাক্তন মন্ত্রীর কাছে দেখা করার সময়ও চাওয়া হয়। কিন্তু বামপন্থী আদর্শে বিশ্বাসী দেবেশবাবু সেই প্রস্তাবে স্পষ্ট ‘না’ বলে দিয়েছেন। পিকের দলের ছেলেদের তিনি জানিয়ে দিয়েছেন,”মানুষ কেনা যায়, কিন্তু আদর্শ কেনা যায় না। আমরা যে আদর্শে বিশ্বাস করি, তাতে আপনাদের প্রস্তাবে সাড়া দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই দেখা করেও কোনও লাভ হবে বলে মনে হয় না। ভবিষ্যতে আর আমাকে বিরক্ত না করাই ভাল।”