হুগলির পুলকার দুর্ঘটনায় চার জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আজবাংলা    চুঁচুড়া     হুগলির পোলবার কাছে পড়ুয়া বোঝাই একটি পুলকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে উল্টে গেল নয়ানজুলিতে। ঘটনায় গুরুতর আহত হন পুলকারের চালক-সহ চার পড়ুয়া। আহতদের মধ্যে দু’জনকে গ্রিন করিডর তৈরি করে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁদের অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়া ওই দুই ছাত্রের নাম দিব্যাংশু ভগত এবং ঋশভ সিংহ।

শুক্রবার সকালে স্থানীয় কামদেবপুরে পড়ুয়া বোঝাই পুলকারটি নয়নজুলিতে উল্টে যায়। সেই সময় গাড়ির মধ্যে ছিল ১৫ জন পড়ুয়া। তারা সবাই চুঁচুড়া খাদিনামোড়ের এক বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের পড়ুয়া। ঘটনার পর স্থানীয়রাই উদ্ধারের কাজ শুরু করে। আহতদের ভর্তি করা হয় স্থানীয় ইমামবড়া জেলা হাসপাতালে। গাড়ির চালক পবিত্র দাসের দাবি, সুগন্ধা মোড়ের কাছে সামনে থাকা একটি লরি হঠাৎ ব্রেক কষে। এবং ডান দিকে টার্ন নিতে যায়। সেই সময় লরির পিছনে অংশে ধাক্কা লেগে পুলকার উল্টে যায় নয়ানজুলিতে। পড়ুয়াদের প্রাণ বাঁচাতে অতি তৎপরতায় শুরু হয় চিকিৎসা। পরে সেখানকার ডাক্তাররা তিনটি শিশুকে কলকাতা নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রিন করিডোর করে তাদের এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারদের অভিযোগ এই রাস্তায় দুর্ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। তাঁদের আরও অভিযোগ, স্কুলের সময়ে দেরি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় পড়ুয়াদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই পুলকারের চালক বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালান। তবে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই পুলকারের চালক পবিত্র বিশ্বাস বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমার গাড়ির সামনে একটা লরি ছিল। সুগন্ধা মোড়ের আগে আইল্যান্ডের কাছে হঠাৎ করেই ওই লরিটি ব্রেক কষে বাঁ দিকে বাঁক নিয়ে ইউ টার্ন করে। আমার গাড়ি তত ক্ষণে পেরিয়ে এসেছে লরিটি। কিন্তু শেষ মূহূর্তে আমার গাড়ির পিছনের অংশে ধাক্কা লাগে লরির। সঙ্গে সঙ্গে আমার গাড়ি নয়ানজুলির দিকে এগিয়ে যায়। আমি সামলাতে পারিনি।”

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!