কংগ্রেসের বিধায়ক গৌতম দাস আনুষ্ঠানিক ভাবে তৃণমূল শিবিরে যোগ দিলেন।

Gautam Das officially in the
বিধায়ক গৌতম দাস ও বিপ্লব মিত্র
Gautam Das officially in the
বিধায়ক গৌতম দাস ও বিপ্লব মিত্র

আজবাংলা দক্ষিণ দিনাজপুরঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনের দামামা বাজতেই গঙ্গারামপুরের বিধায়কের দলবদলে রীতিমত কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কংগ্রেসের। সোমবার দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেসের বিধায়ক গৌতম দাস আনুষ্ঠানিক ভাবে তৃণমূল শিবিরে যোগ দিলেন। গত ২৩মার্চ শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় কংগ্রেসের বিধায়কের দলবদলের ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কলকাতায় শিক্ষামন্ত্রীর দেওয়া সেই ঘোষণার পর থেকেই জেলার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় চাঞ্চল্য। সোমবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে তৃণমূল কার্যালয়ে হাজির হয়ে দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে নিজেকে তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দোপাধ্যায়ের গুল গাইলেন বিধায়ক গৌতম দাস। এদিন কংগ্রেস ছেড়ে আসা বিধায়ককে স্বাগত জানাতে বালুরঘাটের দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিপ্লব মিত্র। দলীয় পতাকা ও ফুলের তোঁরা দিয়ে বিধায়ক গৌতম দাসকে স্বাগত জানান তিনি। এদিন তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়ে বিধায়ক গৌতম দাস জানিয়েছেন যে মানুষের হয়ে কাজ করবেন বলেই তিনি ২০১৬’র বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। মানুষ তাঁকে ভোট দিয়ে জয়ীও করেছেন। বাংলা তথা সাধারণ মানুষের উন্নয়নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় যে ভাবে দিনরাত এক করে কাজ করে চলেছেন তাতে তিনি অভিভূত হয়েই তৃণমূলে যোগ দিলেন। মানুষের কল্যানে কিছু করতে হলে তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া অন্য কোন রাজনৈতিক দল এই রাজ্যে নেই বলেও তিনি জানিয়েছেন। তৃণমূল জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্র এদিন জানিয়েছেন যে বাংলায় যদি সার্বিক ভাবে মানুষের জন্য যদি উপকার যদি করতে হয় তাহলে মমতাবন্দোপাধ্যায় ছাড়া বিকল্প কোন নাম নেই। সেই কারণেই বিধায়ক গৌতম দাস মনে করেছেন যে গঙ্গারামপুর তথা দক্ষিণ দিনাজপুরের স্বার্থে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়ন মূলক কাজে অংশীদার হতে চান বলেই তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এব্যাপারে গৌতম দেব সরাসরি লিখিত দিয়ে আবেদন করেছিলেন। মমতা বন্দোপাধ্যায় তাতে অনুমোদন দেওয়ায় এদিন অনুষ্ঠিক ভাবে বিধায়ক গৌতম দাসের তৃণমূলে বরণ করে নেওয়া হলো। গৌতম দাস তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় মানুষের কল্যানে তাঁরা আরও ভালোভাবে কাজ করতে পারবেন বলেও তিনি জানিয়েছেন। এদিকে জেলা কংগ্রেস সভাপতি নীলাঞ্জন রায় জানিয়েছেন যে বিধায়কের দলবদলে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলে কংগ্রেসে কোন প্রভাবই পড়বে না। মানুষ জানেন যে কে কখন কোন স্বার্থে একদল ছেড়ে অন্য কোন দলে পা রাখেন। সুতরাং এবিষয়ে তাঁর কিছুই বলার নেই।