ভোট কারচুপি করে নির্বাচনে জেতার কোনো অভিপ্রায় সরকারের নেই। শেখ হাসিনা

government has no intention of winning the election
শেখ হাসিনা

আজবাংলা ঢাকা  শুক্রবার সন্ধ্যায় গণভবনে ৩০৭ জন জেষ্ঠ্য অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন ভোট কারচুপি করে নির্বাচনে জেতার কোনো অভিপ্রায় তাঁর সরকারের নেই। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হোক। এসব কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বিজয়ের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। দেশের আরও উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ক্ষমতায় এলে তারা আবারও দেশকে ধ্বংস করবে। তিনি বলেন, ‘সুতরাং আমরা খুনি ও যুদ্ধাপরাধী, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ও আগুন–সন্ত্রাসীদের দলকে ক্ষমতায় দেখতে চাই না।’ শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে না পারলে চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শেষ করা হবে না। ‘স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি এসব কাজ শেষ করবে না। কারণ তারা দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আমরা ২০৭১ সালে আমাদের শতবার্ষিকী উদ্‌যাপনের পরিকল্পনা করেছি এবং বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ গ্রহণ করেছি। তত দিন আমরা বেঁচে না থাকতে পারি, কিন্তু আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উপযুক্ত পরিকল্পনা রেখে যেতে চাই।’ শেখ হাসিনা বলেন, সে সময় সারা দেশে আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতা-কর্মী বিএনপি-জামায়াতের নৃশংসতা শিকার হয়েছিলেন। কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন। সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। সাবেক সচিব অশোক মাধব রায়, ড. খন্দকার শওকত হোসেন, এস এম আলী কবির ও কামরুন্নেসা খানম এবং সাবেক প্রধান তথ্য কর্মকর্তা এ কে এম শামীম চৌধুরী, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি শামসুদ্দোহা খন্দকার, কৃষিবিদ ওয়াসিউজ্জমান আখন্দ, ইঞ্জিনিয়ার কবির আহমেদ ভূঁইয়া, অধ্যাপক দিলারা হাফিজ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ডা. দীন মোহাম্মদ নূরুল হক, রাষ্ট্রদূত আবদুল হান্নান, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক নোমানুর রশিদ, সাবেক অতিরিক্ত সচিব আনসার আলী খান অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন।