চানক্য নীতি অনুসারে সুখী বিবাহিত জীবন করার উপায়

চানক্য নীতি অনুসারে সুখী বিবাহিত জীবন করার উপায়

যাঁরা সুখী বিবাহিত (Married Life) জীবনযাপন করছেন, তাঁরা জীবনের অন্য সমস্ত ক্ষেত্রেও সুখী ও সফল হন। অন্তত চাণক্য সেকথাই বলছেন। প্রশ্ন হল কীভাবে স্বামী-স্ত্রী তাঁদের সম্পর্ককে সুমধুর করে তুলতে পারেন। চাণক্য নীতি এই ব্যাপারে কী বলছে? চাণক্য নীতি (Chanakya Niti) অনুসারে স্বামী- স্ত্রী’র মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক হল অন্যতম শক্তিশালী সংযোগ।

যত সহজভাবে স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে সুখী (Marriage and happiness) করার পথ বেছে নেবেন ততই তাঁদের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি ঘটবে ও তাঁরা জীবনের প্রায় সর্বক্ষেত্রে সফল হতে থাকবেন! তবে তারপরেও জীবনের নানা পর্যায়ে দুর্ঘটনা ঘটবেই। আমাদের সকলের জীবনেই কিছু সময় আসে যখন সবকিছুই মনে হয় খারাপ হচ্ছে। আবার কিছু সময় আসে সুখবর নিয়ে।

তবে সময় যেমনই হোক না কেন, কয়েকটা বিষয় মেনে চললে জীবন সুখময় হয়ে উঠবেই। সম্পর্ক দৃঢ় করার ক্ষেত্রে প্রেমই একমাত্র ভিত চাণক্যের মতে, সঙ্গী বা সঙ্গিনীর প্রেমই মজবুত সম্পর্ক তৈরির একমাত্র চাবিকাঠি। দু’জন মানুষের মধ্যে যোগাযোগ অক্ষুণ্ণ রাখে পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা। তাই তাদের মধ্যে প্রেম দুর্বল হতে শুরু করলে সম্পর্কও দুর্বল হতে থাকে।

সাফল্য তাদের কাছেই আসে যাদের সম্পর্কে ও জীবনে ভালোবাসার অভাব নেই। স্বামী-স্ত্রী’র মধ্যে ভালোবাসা অটুট থাকলে ওই দম্পতির ওপর দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদও সর্বদা বর্ষিত হয়। সমর্পণ চাণক্যের মতে, স্বামী-স্ত্রী’র মধ্যের সম্পর্কে এক অপরের প্রতি নিবেদিত ভাব থাকা দরকার। সম্পর্কের এই মিষ্টত্ব ততক্ষণ পর্যন্ত বাড়বে না যতক্ষণ পর্যন্ত স্বামী ও স্ত্রী একে অপরকে পরস্পরের প্রেমে সমর্পণ করছে! স্বামী ও স্ত্রী উভয়কেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে।

একে অপরের ছোটখাট ত্রুটি নিয়ে বড় সমস্যা তৈরি না করলেই তাদের সম্পর্কে কখনওই ক্ষয় দেখা দেবে না। শ্রদ্ধা ও সম্মান বিবাহিত জীবনে একে অপরের প্রতি কখনওই সম্মান ও শ্রদ্ধা হারালে চলবে না। যে সম্পর্কে শ্রদ্ধা নেই সেই সম্পর্কে ক্ষয় ধরে যায়। প্রতিটি সম্পর্কের ক্ষেত্রেই মর্যাদা ও সম্মানের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলেছেন চাণক্য। তাঁর মতে প্রত্যেক স্বামী-স্ত্রী’র উচিত একে অপরের সম্মান রক্ষার্থে সচেষ্ট হওয়া।

স্বামী-স্ত্রী’র মধ্যে এই ধরনের আবেগ বেঁচে থাকলে সম্পর্কে কোনওদিন চিড় ধরে না। এছাড়া চাণক্যের মতে, জীবনে খারাপ সময়ে আসবেই। তবে একে অপরকে বিশ্বাস করে বলতে হবে সমস্যার কথা। কথা লুকোলে চলবে না। একইসঙ্গে একযোগে উদ্যোগী হয়ে সেই সমস্যার সমাধানও করতে হবে। যুগলে কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করলে সম্পর্কও শক্তিশালী হবে।