পিছিয়ে গেল অযোধ্যা রামমন্দির মামলার শুনানি ।

The hearing of the Ayodhya case back
অযোধ্যা মামলার শুনানি

আজবাংলা  অযোধ্যার মূল মামলার শুনানি সোমবার থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল। তিন সদস্যের বিচারপতির বেঞ্চ মামলা শুনবেন বলে জানা গিয়েছিল। এ বছরের ২৭ সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে নমাজ পাঠে মসজিদ আবশ্যিক নয় বলে পুরনো রায়কেই ফের নতুন করে মান্যতা দিয়ে ঘোষণা করেছিল শীর্ষ আদালত। সঙ্গে জানিয়েছিল, অযোধ্যা মামলায় মূল শুনানি শুরু হবে ২৯ অক্টোবর থেকে। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, আগামী বছরের অর্থাত্‍ ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে শুনানির তারিখ স্থির করা হবে। দেশের মুখ্য বিচারপতি রঞ্জন গগৈ সোমবার গোটা বিষয়টি শোনার চার মিনিট পর নিজের সিদ্ধান্ত শোনান। তিনি জানান, অযোধ্যা মামলার শুনানির জন্য নতুন বেঞ্চ গঠন করা হবে। সেই বেঞ্চই ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবে। লোকসভা নির্বাচনের আগেই এই রায় ঘোষণা করা হবে।   ১৯৯৪ সালে শীর্ষ আদালত তাদের একটি পর্যবেক্ষণে জানায়, ইসলাম ধর্মে নমাজ পড়ার জন্য মসজিদ অপরিহার্য নয়। অযোধ্যা মামলার শুনানির সময়েও এই বিষয়টি উত্থাপিত হয়। সেই কারণেই বিষয়টিকে পুনর্বিবেচনার প্রসঙ্গ উত্থাপিত হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট তা খারিজ করে দেয়। তার পরই আজ মামলার শুনানি শুরু হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং ইতিমধ্যেই মামলাটি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে অনুরোধ করেছেন। অযোধ্যা মামলার শুনানি শুরুর দিনক্ষণ সামনে আসতে কিছুদিন আগে থেকেই দেশে রামমন্দির তৈরি হতে চলেছে বলে রাজনীতির পারদ চড়তে শুরু করেছে। যা অত্যন্ত স্বাভাবিকও। রামমন্দির-বাবরি মসজিদ বিবাদ ভারতীয় রাজনীতির দিশা পরিবর্তন করে দিয়েছিল সে কথা সর্বজনবিদিত। বিগত চার দশক ধরে চলা এই জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে সব রাজনৈতিক দলই নিজেদের সুবিধা মতো রাজনীতি করেছে। রাম মন্দির ইস্যুকে সামনে রেখেই বিজেপির উত্থান বললেও ভুল বলা হয় না। এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে বিস্তর ঘটনার ঘনঘটা যার প্রভাব জাতীয় রাজনীতির উপর ভাল রকমই পড়েছে।