গৃহবধূকে গণধর্ষণের পর যৌনাঙ্গে ঢোকানো হল রড। নির্ভয়া কাণ্ডের ছায়া ধূপগুড়িতে

ধূপগুড়ি
বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ

আজবাংলা ধূপগুড়ি  বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক আত্মীয় সহ তিনজনের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের পর মহিলার যৌনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ । নারকীয় অত্যাচারে অভিযুক্ত নির্যাতিতা গৃহবধূর ভাশুরের ছেলে ও তার বন্ধুরা। ইতিমধ্যেই নির্যাতিতার ভাশুরের ছেলে-সহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম রথনু মুণ্ডা ও পরিমল রায়। আর এক অভিযুক্ত সন্তোষ রায় পলাতক। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।  ওই মহিলা জানিয়েছেন, গতকাল রাতে তিনি বাড়িতে একাই ছিলেন। অভিযোগ, সেই সুযোগে বাড়ি থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যায় অভিযুক্ত তিনজন। স্থানীয় গিলান্ডি নদীর পারে নিয়ে গিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। পরে তাঁর যৌনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।ঘটনার পর সেখানে পড়েছিলেন ওই মহিলা। এদিন সকালে স্থানীয়রা ওই মহিলাকে দেখতে পেয়ে ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে ভরতি করান। সেখান থেকে তাঁকে জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। মহিলার স্বামী জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই জমি নিয়ে অভিযুক্ত আত্মীয়ের সঙ্গে বিবাদ চলছিল তাঁদের। পুলিশ সুপার অমিতাভ মাইতি জানিয়েছেন, ওই মহিলা ও তাঁর স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩২৬/৩০৭/৩৭৬ ডি ধারায় খুন, গণধর্ষণের মামলা রুজু করা হয়েছে। সোমবার ধৃতদের আদালতে তোলা হবে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) এবং ধূপগুড়ি থানার আইসি-কে নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনদিনের মধ্যে চার্জশিট পেশ করা হবে। অন্যদিকে নির্যাতিতার সঙ্গে ঘটা অত্যাচারের প্রকৃতি দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত চিকিত্‍সকরা। এখনও রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়নি। নির্যাতিতার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। গোটা ঘটনায় ধূপগুড়ির ঠাকুরপাট এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।