সিদ্ধিদাতা গণেশ গৃহস্থের এই জায়গায় থাকলে সমস্ত কাজই সফল হয়

সিদ্ধিদাতা গণেশ গৃহস্থের এই জায়গায় থাকলে সমস্ত কাজই সফল হয়

ব্যাপক ছাড়ে  Amazon-এ শপিং করতে এই খানে ক্লিক করুন

আজবাংলা    গণেশ সিদ্ধিদাতা। ভারত ভূখণ্ডে তাঁকে আগে স্মরণ করে তবে শুভকাজ শুরু হয়। সমস্ত মন্দিরের প্রবেশদ্বারে তাঁর মূর্তি। সব দেবতার আগে তাঁর পুজো। মঙ্গল কাব্যের কবিরা সবাই তাঁকে স্মরণ করে লেখনী ধরেছেন। তিনি যে মহাভারতের লিপিকর। গণেশের খ্যাতি দেশের সীমানা ছাড়িয়ে নেপাল, ভুটান, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, জাভা, বোর্নিও, বালিদ্বীপেও বিস্তৃত।

মহাদেব ও দুর্গার সুপুত্র সিদ্ধিদাতা গণেশ ৷ তিনিই সব সময়েই সন্তুষ্ট করেন তার পূজারি বা পূজারিণীকে ৷সমস্ত পুজোর আগেই গণেশের পুজো না হলে সেই পুজো সিদ্ধ হয়না ৷ সিদ্ধিদাতা গণেশকে স্মরণ করলে সমস্ত কাজই সফল ও সুসম্পন্ন হয় অনায়াসে ৷ একবার তুলসি সিদ্ধিদাতা গণেশকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন কিন্তু গণেশ বলেছিলেন তিনি এমন কোনও নারীকেই বিয়ে করবেন যিনি তাঁর মায়ের মত একসঙ্গে দশদিক সামাল দিতে পারে তাঁকেই তিনি বিয়ে করবেন।

এই বলে তিনি দেবী তুলসিকে ভস্ম করতে গিয়েছিলেন কিন্তু দেবী তুলসি যেহেতু নারায়ণের পূজারিণী ছিলেন তাই তাঁর কোনও ক্ষতি হয়নি ৷ কোনও ভাবেই গণেশের পুজোয় তুলসি পাতার প্রয়োজন হয়না ৷ একমাত্র বেলপাতা দিয়েই পুজো হয় গণেশের ৷বাড়ির এমন কোনও স্থানে গণেশের মূর্তি রাখা উচিৎ যার নীচ দিতে যাতায়াত করা সম্ভব হয় ৷ এরফলেই যেতে আসতে সিদ্ধিদাতার আশীর্বাদে সমস্ত কাজ সিদ্ধ হয় ৷

গণেশের নানা রূপ। জটামুকুট, ত্রিনয়ন, নাগ উপবীত প্রভৃতি লক্ষণ হল শিবের চিহ্ন। পরশুরামের সঙ্গে লড়াইয়ের সময় কুঠারের আঘাতে একটা দাঁত হারিয়ে একদন্ত। গণেশের বাহন মূষিক। গণেশ থাকলে, বুদ্ধি-সম্মান-প্রতিপত্তি সংসারে আসবেই ৷ তাই তো সব পুজোর শুরুতেই গণেশের পুজো মাস্ট। শাস্ত্র মতে, যে কোনও জায়গায় গণেশ রাখলেই হল না। ঘরের বাস্তু মেপে, ঘরে সঠিক স্থানে গণেশ রাখলেই সংসারে শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে।

শাস্ত্র মতে দক্ষিণ দিকে মুখ করে গণেশের মূর্তি রাখা উচিত। ঠাকুর ঘরের যদি সেটা সম্ভব না হয়, তাহলে দক্ষিণ খোলা জানলা যে ঘরে রয়েছে, সেই ঘরেই রাখতে পারেন। এমন কোনও জায়গায় গণেশ রাখবেন না, যেখানে আলো কম পৌঁছয়। বরং খোলামেলা জায়গাতেই রাখুন এই মূর্তি ৷ গণেশ যেখানে রাখবেন, জায়গাটি যেন পরিষ্কার হয়।