দু-একটি জায়গায় ভিড় ছাড়া কার্যত শুনশান নদীয়া

মলয় দে    আজবাংলা  নদীয়া:-   জেলায় বন্ধ সকল আনন্দ অনুষ্ঠান । প্রশাসনের পক্ষ থেকে সদর্থক ভূমিকা চোখে পড়ছে। মৃত ব্যক্তির বাড়িতে পৌঁছে কোনরকমে শ্রদ্ধানুষ্ঠান করার অনুমতি দিয়ে, বাতিল করেছে সমস্ত খাওয়া-দাওয়ার অনুষ্ঠান। পথে-ঘাটে 57 জন এক জায়গায় দেখলেই চলছে শাসন। শুধুমাত্র বিভিন্ন ব্যাংকে কিছুটা ভিড় চোখে পড়লোও তা অবশ্য বাইরে ভেতরে একজন করে প্রবেশ করিয়ে কাজ করার সম্পন্ন হওয়ার পর তবেই আর একজন অনুমতি পাচ্ছে।আনন্দবাজার ,বর্তমান পত্রিকার ক্রেতা অত্যন্ত কমে যাওয়ায় বন্ধ হল নদীয়ার পাতা। বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া, পোর্টালে অফিসে কর্মরতর সংখ্যা কম থাকায় ন্যূনতম কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রকাশিত হচ্ছে। প্রশাসনিক কর্তা ব্যক্তিদের সক্রিয়তায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি এখনো বন্ধু নিয়ন্ত্রণে আছে বাজার দর। প্রতিটি পেট্রোল পাম্প, দুধের দোকান, যথারীতি খোলা থাকছে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি খাবার-দাবারের পরিবহন হতে দেখা যাচ্ছে রাস্তাঘাটে।শান্তিপুরের দেখা গেল 25 বছরের কালী মাতা পূজার বিসর্জনের মাত্র চারজন। শান্তিপুর মহাশ্মশানে শব দাহ করতে এসে, দোকান খোলা না পেয়ে সমস্ত নিয়ম শিথিল করেই করা হলো দাহ। মসজিদে নামাজ পড়া হচ্ছে তিন-চারজন জনকে নিয়ে। গির্জাতেও প্রার্থনা বন্ধকরে বাড়িতে করার নির্দেশ দিয়েছে চার্চ থেকে।জেলার হাসপাতালগুলিতে চাপ কমানোর জন্য, রেলওয়ে স্টেশন,বিভিন্ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ওপর জোর দিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর। তাই আগের দু-তিন দিনের তুলনায় স্ক্রিনিংয়ের জন্য আসা মানুষ দেখা গেল বেশকম।