ঠান্ডা গরমে জ্বর-সর্দি-কাশিতে নাজেহাল সাধারণ মানুষ।ছোট দের নিয়ে চিন্তায় বাবা-মা-রা

আজবাংলা স্কুল বন্ধ থাকায় বাড়িতেই রয়েছে ছোটরা ।তাই তাদের নিয়ে বেশি চিন্তা বাবা-মায়ের। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সত্যিই ভাইরাল জ্বর এখন প্রায় প্রতি ঘরে। ১০২-১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রা উঠে যাওয়া, সঙ্গে কাশি, জ্বর ক’দিন গড়াতে না গড়াতেই খুবই বিরক্তিকর সমস্যা এটি । তবে চিকিৎসক দের সঙ্গে কথা না বলে কোনওভাবেই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া উচিত হবে না। অধিকাংশ জ্বরই বড়জোর সাতদিনের মধ্যে প্যারাসিটাম঩লে নিয়ন্ত্রণে চলে আসছে।

সঙ্গে প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া আর বিশ্রাম।আবহাওয়ার আকস্মিক ও দ্রুত পরিবর্তনে নাক দিয়ে ক্রমাগত জল পড়া, নাক বন্ধ, হাঁচি, কাশি, মাথাব্যথা, জ্বর, কাঁপুনি—এগুলো হলো এর প্রধান লক্ষণ।সাধারণ ভাইরাল জ্বর ছাড়াও ডেঙ্গু আছেই। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে রয়েছে কানে ব্যথা, কট কট করা ইত্যাদি সমস্যাও। বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন প্রচুর বাচ্চা জ্বরে ভুগছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভাইরাল জ্বর। অল্প কিছুক্ষেত্রে ডেঙ্গু মিলছে। এছাড়া ঋতু পরিবর্তনজনিত পেট খারাপ, পেটে ব্যথা এবং সঙ্গে জ্বরের মতো সংক্রমণের সমস্যাও রয়েছে। বাড়ির লোকজনকে ধৈর্য ধরতে হবে।আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় অনেকেই বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভোগেন। এর মধ্যে  জ্বর, সর্দি, কাশি তো রয়েছেই। এগুলোর থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই ওষুধের উপর ভরসা রাখেন। তবে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা মাথায় রেখে অনেকেই ওষুধ খেতে চান না।সাম্প্রতিক এক গবেষণা জানাচ্ছে, যদি ৬টি খাবার বুঝে শুনে খেতে পারেন এবং নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন, তা হলে খুব সহজেই সর্দি-কাশি, ঠান্ডা লাগা, গলা খুসখুস থেকে নিজেকে ভাল রাখতে । লেবু ও মধুর মিশ্রণ
সমপরিমাণ লেবুর রস এ মধুর মিশ্রণ গলার ভিতরের সংক্রমণ কমায়। ডিমের সাদা অংশ
ঠান্ডা লেগে গলায় ব্যথা হওয়া একটি স্বাভাবিক ঘটনা। এই সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে ডিমের সাদা অংশ। কারণ ডিমের সাদা অংশ গলার ভেতরের গ্ল্যান্ড ফুলে যাওয়া কমায় এবং সংক্রমণ দূর করে।চিকেন স্যুপ
সর্দি ও খুসখুসে কাশি কমাতে গরম জলের ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই হয়ে আসছে। এই তালিকার মধ্যে পড়ে চিকেন স্যুপও। কারণ চিকেন স্যুপে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা গলা খুসখুসের জন্য দায়ী ভাইরাস এবং মিউকাস কমায়। সেদ্ধ গাজর
গাজরকে বলা হয় সুপার ফুড। গাজরের ভিটামিন ও মিনারেলস দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। স্বাভাবিক কারণেই চট করে সর্দি-কাশির মতো রোগগুলো ধরে না। তবে ঠান্ডা লাগলে কাঁচা গাজর না খেয়ে সেদ্ধ করেই খাওয়া উচিত।