রাম আমলে চাকরি পেলেন বাম আমলের বিধায়ক

In the Ram period, the left-hand legislator got the job
রাম আমলে চাকরি পেলেন বাম আমলের বিধায়ক

চাকরি পেলেন বাম আমলের বিধায়ক। রাজ্যে নতুন সরকারের আমলে স্বচ্ছ নিয়ােগ প্রক্রিয়ায় এ এক জ্বলন্ত উদাহরণ। গত বিধানসভা নির্বাচনেও তিনি বামফ্রন্টের প্রার্থী হিসাবে লড়াই করে গুহারা হেরেছিলেন। তারপরেই রাজনীতির প্রতি অনিহা দেখিয়ে তিনি চলে যাচ্ছেন সরকারি চাকুরিতে। এই প্রাক্তন বিধায়ক হলেন ঝুমু সরকার। বড় জলা বিধানসভা কেন্দ্রের উপ নির্বাচনে তিনি বামফ্রন্টের প্রার্থী হয়ে লড়াই করে বিধায়ক হযেছিলেন বছর খানেকের জন্য। এরপর অথাৎ ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে তিনি হেরে যান বিজেপির ডাঃ দিলীপ দাসের কাছে। এরই মধ্যে সদ্য বৈবাহিক সম্পর্কেও আবদ্ধ হয়ে যান ঝুমু সরকার। আর রাজনীতিতে পেট ভরছে না। তাই যে শিক্ষার অধিকার আইনের বিরােধিতা করেছিল বামেরা, সেই আইনের সুফল এবং বর্তমান জোট সরকারের স্বচ্ছ নিয়ােগ প্রক্রিয়ার সুবিধা পেলেন একদার বাম বিধায়ক ঝুমু সরকার। স্নাতক শিক্ষক হিসাবে তার চাকরি। উদয়পুরের গর্জি সংলগ্ন জুলাইবাড়ি স্কুলে তিনি আগামী ৩রা নভেম্বরের মধ্যে চাকরিতে যােগদান করবেন। তার কাছে জানতে চাওয়া হয় তাহলে রাজনীতি ছেড়েই দিলেন?’ ঝুমু উত্তরে বলেন ‘কি করব? সংসার চালাতে হবে, ছেলে হয়েছে, মা বাবার বয়স হয়েছে ,৫ বছর
বিধায়ক না থাকায় কোনাে পেনশনও নেই। চাকরিতাে করতেই হবে। জানা গেছে সাংসদ জিতেন চৌধুরীর মেয়েও সম্প্রতি চাকরি পেয়েছেন শিক্ষক পদে। তার পােস্টিং ফটিকরায়ে। শুধু হারিয়েগেলো অনেক যুবক যুবতী .যাদের মেধাছিলো পাড়ার মূর্খ বামনেতাদের কথায় নিজেদের পড়াশুনা ছেড়ে লাল ঝান্ডা নিয়ে পথঘাট কাঁপিয়েছিলো .আজ হয়তো তারাও সরকারি চাকরি পেয়েযেতো যদিনা ঐসময় নিজেদের পড়াশুনায় মনদিতেন ,আজ হয়তো সেইসকল যুবক যুবতীরা দিশেহারা কারণ মেধা থাকাসত্ত্বেও নিজেদের মেধাকে কাজে লাগাতে পারেননি ,একন শুধুই আফসোস