নারী পাচার রুখতে শিক্ষকের ভূমিকায় উত্তর দিনাজপুর জেলার পুলিশ সুপার সুমিত কুমার।


ভাস্কর রায় আজবাংলা কালিয়াগঞ্জ নারী পাচার রুখতে এবার বিদ্যালয় এ শিক্ষকের ভূমিকায় দেখা গেল উত্তর দিনাজপুর জেলার পুলিশ সুপার সুমিত কুমার কে । সঙ্গে সহযোগিতা করলেন কালিয়াগঞ্জ থানার আইসি তথা মালদার ডি এস পি ডি ই বি শ্রীমন্ত বন্দোপাধ্যায়।উত্তর দিনাজপুর জেলার তরঙ্গপুর বড়াল হরলাল বালিকা বিদ্যালয়ে স্কুলের ছাত্রীদের নিয়ে সচেতনতা মূলক শিবিরে। যেখানে মূলত ছাত্রীরা সারাদিন পেল শিক্ষক হিসেবে পুলিশ সুপারকে। এদিন পুলিশ সুপার এর ভূমিকায় খুব খুশি এই বালিকা বিদ্যালয় এর ছাত্রীরা। নারী পাচার,বাল্য বিবাহ এবং সোসালমিডিয়া রোধে কি কি করনীয় সে বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে এদিন পুলিশ সুপার সুমিত কুমার সকল উপস্থিত ছাত্রী সামনে বলেন বর্তমান সময়ে সকলকে সতর্ক হয়ে চলতে হবে। এখানে এক শ্রেণীর মানুষ সব সময় চেষ্টা করে সমাজে অপরাধ মূলক কাজ করে সমাজকে ক্ষতি করার। তারই ফলস্বরূপ দিনের পর দিন অর্থের লোভ দেখিয়ে একশ্রেণীর দারিদ্র পরিবারের মেয়েদের ভিন রাজ্যে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে দিচ্ছে একশ্রেণীর দালাল চক্র। মূলত এই দালাল চক্রের হাত থেকে রক্ষা করতে বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের উচিত নিজে থেকে আগে ভাগে সচেতন হওয়া। না হলে সামনে সমূহ বিপদ।জেলা পুলিশ সুপার আরো বলেন, নিজেকে বর্তমান সময়ে অনেক সজাগ থাকতে হবে তাহলেই মূলত বর্তমান সমাজ থেকে নারী পাচার নির্মূল করা সম্ভব ।জেলা পুলিশ সুপার সুমিত কুমার বলেন অনাহার, দারিদ্র্য ও বেকারির সঙ্গে নারী ও শিশু পাচার একটি জ্বলন্ত সমস্যা। এখানকার মানুষের দারিদ্রের সুযোগ নিয়ে পাচারকারীরা প্রচণ্ড সক্রিয়। তাই এই সমস্ত পাচারকারীদের হাত থেকে সকলকে সজাগ থাকতে হবে। তিনি আরো বলেন এই ধরনের মানুষদের কোন সন্ধান কেউ যদি কোথাও পান তাহলে সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনকে খবর দেওয়ার জন্য আবেদন জানান।পুলিশ সুপার বলেন এই ধরনের সচেতনতা মূলক শিবির যত হবে ততই সমাজ থেকে অপরাধ কমতে থাকবে। কর্মশালা সম্পর্কে ছাত্রীরা বলে বাল্য বিবাহ,নারী পাচার সহ সোসাল মিডয়ার অপপ্রচার সম্পর্কে পুলিশ সুপার যেভাবে তাদের বুঝালেন তা তারা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবেন। এবং অন্যদের সহযোগিতা করবে তারা।