লকডাউনের জেরে মাথায় হাত জবা ফুল চাষিদের।

আজবাংলা     দক্ষিণ ২৪ পরগনা     লকডাউনের জেরে মাথায় হাত জবা ফুল চাষিদের। ফুল বিক্রি বন্ধ। বন্ধ বাজার হাট, পাইকারি বাজার। অর্থসঙ্কটে ফুলের ব্যবসা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট এক নম্বর ব্লকের হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। এই প্রত্যন্ত গ্রাম ডিহি সরিষা পাড়ায় বাস শতাধিক পরিবারের। অভাব অনটন নিত্যসঙ্গী এই পাড়ার। স্বাধীনতার পর থেকেই এই এলাকার চাষিদের অর্থকারী ফসল বলতে জবা ফুলের চাষ । বারো মাসে এই ফুলের উপর নির্ভর তাদের রুটি-রুজি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ দীর্ঘদিন ধরে কিছু করতে পারেনি তাদের চাষকে। বিঘার পর বিঘা জমিতে জবাফুল চাষ করে চলে ফুলচাষিদের সংসার। নেই অন্য কোনও কর্মসংস্থান। করোনার ধাক্কায় অর্থাভাবে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে কয়েকশো ফুল চাষির। শুধু এই জেলাই নয়, ভিন জেলায়, এমনকী কলকাতার পাশাপাশি এই ফুল চলে যায় বিদেশের বাজারেও।প্রতি বছর এই সময় ফুল চাষ করা চলে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন গ্রামে ও বহু এলাকায়। শুধু এই জেলাতেই নয়,ভিন জেলার পাশাপাশি এই ফুল কলকাতা ছাড়াও চলে যায় বিদেশের বাজারেও। তবে এবার সব শেষ। যে পরিমাণ ফুল হয়েছে চাষিদের জমিতে, তাতে কি? পর্যাপ্ত ফুল বিক্রি করায় একমাত্র বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে এই লকডাউন।এবার সব শেষ। গাছের ফুল গাছেই মার যাচ্ছে। নবরাত্রির সময় প্রচুর চাহিদা ছিল ফুলের। সেই আশায় বুক পেতেছিলেন অনেকে। চাষিদের দাবি, গাছে ফুল থাকলে পোকা আক্রমণ করবে। প্রতি বিঘায় যেখানে খরচ বাদ দিয়ে সাত আট হাজার আয় টাকা হয়, সেটাও ভুলতে হবে বলে দাবি করেছেন চাষিরা । সরকারিভাবে খাদ্যশস্যের সহযোগিতা মিলছে ঠিকই। কিন্তু সব ছাপিয়ে অর্থসঙ্কটে ব্যবসাহীরা। মন্দায় সরকারি সহযোগিতার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরা।