আজ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে মুখমুখি ভারত ও বাংলাদেশ

আজবাংলা     অনূর্ধ্ব ১৯ ক্রিকেটের ফাইনালে এই নিয়ে তৃতীয়বার আমনে-সামনে দুই দেশ।চলতি মরশুমেই অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপ ফাইনাল ও ইংল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সিনিয়র দলের পরিসংখ্যান ভারতের বিরুদ্ধে খারাপ। সাম্প্রতিক অতীতে কোনও বড় মঞ্চে যতবার ভারতের বিরুদ্ধে নেমেছে বাংলাদেশ, হারের মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু ছোটরা হতাশ করবে না বলে আশা করেছেন বাংলাদেশের সমর্থকরা। আর বাংলাদেশে অনূর্ধ্ব ১৯ দলের পারফরম্যান্সও তো দারুন। এবার বিশ্বকাপে তারা এখনও কোনও ম্য়াচ হারেনি। একের পর এক শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে জিতেছে তারা। অথচ বাংলাদেশ কিন্তু ফেভারিট হয়ে শুরু করেনি। সেমিফাইনালে নিউ জিল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট অর্জন করেছে বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে কিউইদের ছয় উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছনো বাংলাদেশকে যদিও হালকা ভাবে নিচ্ছে না টিম ইন্ডিয়া। ধারে-ভারে বাংলাদেশের থেকে অনেকটাই এগিয়ে শুরু করবে ভারত। ৩১২ রান করে এখনও অবধি অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক যশস্বী জয়সওয়াল।২০০৪-এ শিখর ধাওয়ান করেছিলেন ৫০৫ রান। একটি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড এখনও গব্বরের নামেই। প্রিয়ম গর্গ, যশস্বীদের পাশে কার্তিক ত্যাগি, রবি বিষ্ণোইদের নিয়ে গড়া ভারতের বোলিং লাইন-আপও যথেষ্ট শক্তিশালী। চলতি বিশ্বকাপে এখনও ১৩ উইকেট রয়েছে রবির। টুর্নামেন্টে এখনও অবধি অপরাজিত দুই দলই। প্রথমবার বিশ্বকাপ ফাইনালে পৌঁছনো তৌহিদ হৃদয়, আকবর আলিরাও তৈরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে।আবার চারবারের অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জেতা ভারতের পঞ্চমবার কাপ জয়ের পথে কাঁটা ছড়িয়ে দিতে তৌহিদ, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীরা যে নিজেদের উজাড় করে দেবে, বলাই বাহুল্য। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে এ বার বাংলা থেকে কেউ সুযোগ পাননি। কিন্তু ভারত যে চার বার অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জিতেছে, তার মধ্যে তিন বারই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিন বাঙালি। ২০০৮-এ বিরাট কোহালির দলের উইকেটকিপার হিসেবে খেলেছেন শ্রীবৎস গোস্বামী। ২০১২-এ উন্মুক্ত চন্দের দলের মূল পেসার ছিলেন রবিকান্ত সিংহ। শেষ বার পৃথ্বী শ-দের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অন্যতম কারিগর ঈশান পোড়েল।