সীমানা লঙ্ঘন করলে এবার গুলি চালাবে ভারত, বেজিংকে কড়া জবাব ভারতের

সীমানা লঙ্ঘন করলে এবার গুলি চালাবে ভারত, বেজিংকে কড়া জবাব ভারতের

আজ বাংলা: ফের একবার পাকিস্তানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল ভারত। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় লালফৌজের বারবার আগমন তাতে আর শূন্যে গুলি চালিয়ে যে কাজ হবে না, নয়াদিল্লির তা অজানা নয়। বৃহস্পতিবার কড়া সুরেই তাই বেজিঙের উদ্দেশে তোপ দেগেছে নয়াদিল্লি। বেজিঙের কাছে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। 

জানা গিয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় চিনের পিপল'স লিবারেশন আর্মি (PLA) যদি ভারতের পজিশনে ঢুকে পড়ে, তা হলে আত্মরক্ষায় ভারতীয় সেনা এ বার ওপেন ফায়ার করতে পিছপা হবে না। যা আগে কখনও করেনি ভারতীয় সেনা। সাম্প্রতিক কালের মধ্যে এত কড়া ভাবে চিনকে সতর্ক করেনি ভারত। প্রসঙ্গত, পূর্ব লাদাখকে কেন্দ্র করে বিগত কয়েক মাস ধরেই উত্তেজনা রয়েছে। গত জুনে গলওয়ান উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর পূর্ব লাদাখে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়। যদিও কয়েক দফায় আলোচনার পর, উত্তেজনা প্রশমণে দু'পক্ষ সেনা সরাতে সম্মত হলেও বেজিং কিন্তু কার্যক্ষেত্রে তা মানেনি।

 মস্কোয় রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর, বেজিঙে ফিরে চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী উত্তেজনার পারদ চড়িয়ে ঘোষণা করেন, ভারতকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়ার প্রশ্ন নেই। চিনের প্রেসিডেন্ট দিন কয়েক আগে রাষ্ট্রপুঞ্জে ভার্চুয়াল বৈঠকে শান্তির কথা শুনিয়েছিলেন। ভারতের নাম উল্লেখ না-করেই চিনা প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, আলোচনার মধ্য দিয়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা মেটাবেন। চিনের দিকে আগ্রাসনের যে অভিযোগ তোলা হয়, তা-ও তিনি নস্যাত্‍‌ করে দেন। কিন্তু, কার্যক্ষেত্রে চিনাসেনা কিন্তু আগ্রাসী মনোভাব বজায় রেখে ভূখণ্ড বিস্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এমত পরিস্থিতিতে ভারত কঠোর মনোভাব ব্যক্ত করতে বাধ্য হয়েছে।

গলওয়ান উপত্যকার সংঘাতের উল্লেখ করে ভারত চিনকে পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, 'চিনাসেনা যদি আমাদের পজিশনে ঢুকে পড়ে, ভারতীয় সেনার আত্মরক্ষায়, নিজেদের পজিশন সুরক্ষিত রাখতে এ বার কিন্তু আমরা ওপেন গুলি চালাব।' তবে একটি সরকারি সূত্রে খবর, চিনকে বারবার বলা হয়েছে, এলএসি লাগোয়া অঞ্চল থেকে পিএলএ'কে সরিয়ে নিতে। কিন্তু, চিন নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। এলএসি থেকে সেনা সরাচ্ছে না। চিনের কৌশল হল, ভারতের টহলদারির জায়গায় প্রচুর সংখ্যক সেনা মোতায়েন করা।