বায়ুদূষণে জেরবার ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকা।সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশুরা।

Air pollution
বায়ুদূষণ

আজবাংলা  বায়ুদূষণের কবলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় শিশুরা। এর কারণ হিসাবে হু-এর বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ‘শিশুদের বৃদ্ধি অতি দ্রুত হয়। তারা বড়োদের তুলনায় অনেক তাড়াতাড়ি শ্বাস নেয় এবং প্রচুর পরিমাণে বায়ু শরীরের ভিতর টানে। ফলে দূষিত পদার্থ বেশি পরিমাণে তাদের শরীরে ঢোকে।’ বায়ুদূষণে জেরবার দিল্লি সহ ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকা। দূষণের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে শিশুদের উপর। সম্প্রতি প্রকাশিত হু (ওয়ার্ল্ড হেল্‌থ অর্গানাইজেশন)-এর এয়ার পলিউশন অ্যান্ড চাইল্ড হেল্‌থঃ প্রেসক্রাইবিং ক্লিন এয়ার নামক রিপোর্টে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। হু-এর রিপোর্ট অনুসারে, ২০১৬ সালে কেবল বায়ুদূষণের জেরে ভারতে ৫ বছরের কম বয়সি ১.২৫ লক্ষ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হু-এর সমীক্ষা অনুসারে, ২০১৬ সালে ঘরের দূষিত বায়ুর কবলে পড়ে ৫ বছরের কম বয়সি প্রায় ৬৭ হাজার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর এই বয়সের প্রায় ৬১ হাজার শিশুর মৃত্যু হয়েছে বাইরের বিষবায়ুর প্রভাবে। গত কয়েক বছর ধরেই বেড়ে চলেছে দিল্লি ও লাগোয়া এলাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা। বিশেষ করে শীতকালে দিল্লির বাতাসে দূষণের মাত্রা অত্যন্ত বিপদজনক স্তরে পৌঁছে যাওয়ায় অনেকে শহরও ছাড়তে শুরু করেছেন। এই পরিস্থিতিতে জোড়-বিজোড় ফরমুলা চালু করে গত কয়েক বছর পরিস্থিতি মোকাবিলা করার চেষ্টা করেছে দিল্লি সরকার। তবে এতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও সমস্যার সুরাহা হয়নি। অসুস্থ হচ্ছেন রাজধানী ও লাগোয়া এলাকার বহু মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দিল্লির রাস্তায় ব্যক্তিগত মালিকানায় থাকা গাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারে প্রশাসন। দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্যদের সভাপতি ভুরে লাল বলেন, ‘আশা করব দিল্লির দূষণ আর বাড়বে না। তবে সমস্যা বাড়লে প্রাইভেট গাড়ি বন্ধ করা ছাড়া উপায় থাকবে না।’