অযোধ্যা মন্দিরে জইশের জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় গোয়েন্দা রিপোর্টে চাঞ্চল্য

আজবাংলা  গোয়েন্দা সূত্রে খবর, জনপ্রিয় চ্যাটিং অ্যাপ টেলিগ্রাম ব্যবহার করে মেসেজ চালাচালি করছে জইশ প্রধান মাসুদ আজহার। জইশ-সহ অন্যান্য জঙ্গি সংগঠনগুলি বার্তা আদান-প্রদানের জন্য সাধারণত এই অ্যাপটিই ব্যবহার করে থাকে। সেই সাংকেতিক মেসেজের অর্থ উদ্ধার করে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন যে পাকিস্তানের এই জঙ্গি সংগঠন অযোধ্যায় বড়সড় সন্ত্রাস হানার পরিকল্পনা করছে। অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণার পর থেকেই ভারতের বিভিন্ন জায়গায় তাদের স্লিপার সেলগুলি তত্‍পর হয়ে উঠেছিল বলে খবর পায় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। সমস্ত রকম পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে সর্তক করে রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং(র) ও অন্য সংস্থাগুলি। গত অক্টোবরে ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছিল জইশ জঙ্গিরা। দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ ও হিমাচলপ্রদেশ-সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নাশকতা করার উদ্দেশ্যে সাংকেতিক ভাষায় মেসেজ চালাচালিও হচ্ছিল। ক্রিসমাসের মধ্যে সেই পরিকল্পনার ছক ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। মুম্বই হামলার ধাঁচে অনেকটা কাসভদের কায়দায় জলপথে সন্ত্রাসবাদী হামলার আশঙ্কায় চূড়ান্ত সতর্কতা নিয়েছিল ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছিল রাজধানী দিল্লিতেও। যদিও সেবার কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। কিন্তু বছর শেষে গোয়েন্দা সংস্থার খবরে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। প্রত্যেকটি নিরাপত্তা সংস্থাকে ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে অবগত করা হয়েছে। নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে অযোধ্যাকে। গোটা শহরেই নিরাপত্তা আঁটসাট করা হয়েছে বলে খবর। ভারতে জইশের কার্যকলাপের উপর গভীরভাবে নজর রাখতেও শুরু করেছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।