সিঁড়ি ভাঙার অভ্যেস আছে কী? তা হলে আপনার জিমে না গেলেও চলবে!

পায়ের ব্যায়াম করতে ভালোবাসেন, এমন একটি মানুষকেও যদি আপনি চেনেন, তা হলেই অনেক! সাধারণত যাঁরা জিমে যান নিয়মিত, তাঁদের বেশিরভাগই পায়ের ব্যায়াম করার ব্যাপারে চূড়ান্ত নিস্পৃহ। এর প্রথম কারণ হচ্ছে, পায়ের মাসলগুলি যেহেতু বড়ো, তাই তার শক্তি বাড়তে অনেকটা সময় লাগে। গোড়ার দিকে পায়ের ব্যায়াম করলে খুব ব্যথাও হয়। তিন নম্বর কারণ হচ্ছে, পায়ের মাসলে পরিবর্তন আসে খুব ধীর গতিতে – ধৈর্য ধরে এক্সারসাইজ় চালিয়ে যেতে হয়। তবে এটাও ঠিক, পায়ের ব্যায়াম না করলে কিন্তু একেবারেই চলবে না। আপনার পুরো শরীরের ভার বহন করে পা, যাঁরা দিনের বেশিরভাগ সময়টা চেয়ারে বসে কাটাতে বাধ্য হন, তাঁদের পায়ের পাশাপাশি গ্লুটস মাসল শক্তিশালী করে তোলা প্রয়োজন। কিন্তু যাঁরা জিমের চৌহদ্দি মাড়ানোরও সময় পান না, তাঁরা কী করবেন? তাঁদের জন্য কোনও উপায় আছে কী?


আলবাত আছে! আজই না হয় পাড়ায় পাড়ায় জিমের রমরমা হয়েছে, আগে তো আর মানুষের হাতে সে সব সুবিধে ছিল না। তাঁরা যে সাধারণ উপায়গুলি মেনে সুস্থ থাকতেন, আপনিও সেগুলি ট্রাই করে দেখুন। তার মধ্যে একটা হচ্ছে সিঁড়ি ভাঙা। আজকাল তো তিন তলা পর্যন্ত সিঁড়ি বেয়ে ওঠার কষ্ট করতে চান না কেউ, কিন্তু জানেন কি, সিঁড়ি দারুণ ব্যায়াম! দিনে যদি আপনি অন্তত 40টি সিঁড়ি ভাঙার অভ্যেস রাখেন, তা হলেই আপনার পা ক্রমশ শক্তপোক্ত হয়ে উঠবে। আর সিঁড়ি ভাঙার সময় দৌড়ে ওঠা-নামা করলে তো পাহাড়ে চড়ার জন্য তৈরি হয়ে যাবেন! পা শক্তিশালী হয়ে ওঠার পাশাপাশি এই কার্ডিও অ্যাকটিভিটির সৌজন্যে আপনার দমও ক্রমশ বাড়তে থাকবে, ফলে দৌড় বা স্প্রিন্টিংয়েও অংশগ্রহণ করতে পারবেন কিছুদিনের মধ্যেই।গ্লুটস বা নিতম্ব আর থাইয়ের মাসল টানটান করে তুলতে সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামার কোনও বিকল্প নেই। তবে কয়েকটা বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে – হাঁটুতে কোনও সমস্যা থাকলে সিঁড়ি ভাঙার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। অতি উৎসাহে পায়ে চোট পেতে পারেন। আপনার পুরো পা যেন সিঁড়িতে থাকে, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। কেবল পায়ের আঙুলের উপর বা গোড়ালিতে ভর দিলে চোট পেতে পারেন। পায়ে বাড়তি চাপ দেবেন না। পুরো সময়ে আপার বডি যেন সোজা থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!