মাওবাদীদের মদত দিচ্ছে ইসলামি জঙ্গিরা,দাবি কেরলের সিপিএম নেতা পি মোহনানের।

Maoist
Maoist

আজবাংলা কোঝিকোড় এখন মাওবাদীদের আখড়া হয়ে উঠেছে।’ ইসলামী জঙ্গি মদতে ধর্মীয় সন্ত্রাস এবং অতি বাম রাজনীতির মদতে রাজনৈতিক সন্ত্রাস আমাদের দেশকে ভিতর থেকে দূর্বল করে দিচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে এই দুটি বিষয় পরস্পরের সাথে সম্পর্কহীন মনে হলেও আদতে তা নয়।মঙ্গলবার সেই দাবি কেই জোরাল সমর্থন করে কোঝিকোড় সিপিএম জেলা সম্পাদক মোহানান এক সভায় বলেন, ‘রাজ্যে ইসলামি জঙ্গিরা মাওবাদীদের সাহায্য করছে।

ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের মদতের কথা বললেও কোনও সংগঠনের নাম করেননি মোহানান। তিনি বলেন, ইসলামি জঙ্গি সংগঠনগুলি রাজ্যের মাওবাদীদের সাহায্য করছে। পুলিসের উচিত এই দিকটা খতিয়ে দেখা। এর আগে রাজ্যের বামফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ২০০২ সালে কোলকাতাআমেরিকান সেন্টারের সামনে সন্ত্রাসী হানার অব্যবহিত পরে মন্তব্য করেছিলেন, ‘কয়েকটি মাদ্রাসা জঙ্গি কার্যকলাপের ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে।’ যদিও কয়েকদিনের মধ্যে অবশ্য বুদ্ধবাবু দাবি করেন, এমনটি তিনি বলতে চাননি। দাউদ ইব্রাহিম ও পাক গোয়েন্দা সংস্থা ISI এর মদতে ভারতে নাশকতা মূলক কাজকর্ম দীর্ঘদিন ধরেই চলছে। আর মাওবাদী সমস্যাও নতুন কিছু নয়। তবে সাম্প্রতিক একটি গোয়েন্দা রিপোর্ট কেন্দ্র সরকারের অত্যন্ত মাথাব্যাথার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাতে বলা হয়েছে দাউদ এবং ISI ভারতের খনিজ উত্তোলন কেন্দ্র গুলিতে থাবা বসিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করছে। মূল প্রশ্নটা হল কীভাবে? একটা ব্যাপার লক্ষণীয় ছোটনাগপুর মালভূমি ও তার পার্শ্বস্থ এলাকাগুলি খনিজ সম্পদের ভান্ডার বলে খ্যাত। বাংলার পশ্চিমাংশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ছত্রিশগড় এর কিছু অংশে কয়লা, অভ্র ইত্যাদি খনিগুলি রয়েছে। আর এর আশেপাশের এলাকাগুলিতেই মূলত মাওবাদীদের রমরমা। মাওবাদী কর্মকান্ডের আড়ালে বেআইনি খনিজ উত্তোলন ও তা বাজারজাত করা, তোলা আদায়ের মাধ্যমে ডি-কোম্পানির বিপুল আয় হচ্ছে যা ব্যাবহৃত হতে নাশকতা মূলক কাজে। আর এই কাজটাই করা হচ্ছে লাল পতাকার নীচে, মাওবাদী কার্যকলাপ কে সামনে রেখে। সম্প্রতি কেরলের ২ সিপিএম নেতার বিরুদ্ধে ইউএপিএ ধারায় অভিযোগ এনেছে পুলিস। এর জন্য কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের প্রশংসা করেন কোঝিকোড় সিপিএম জেলা সম্পাদক মোহানান। পালাক্কাডে আলান সুহাইব ও ত্বহা ফজল নামে ২ সিপিএম কর্মী মাওবাদীদের সমর্থনে লিফলেট বিলি করছিলেন। তাদের গ্রেফতার করে পুলিস। মাওবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এদের গ্রেফতার করা হয়।

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!